মানসিক বৈকল্যের অনাপত্তিপত্র দিতে হচ্ছে ইউটিউব মডারেটরদের

আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ০১:১১ পিএম

ইউটিউব থেকে সারাদিন যারা নেতিবাচক কনটেন্ট রিমুভ করেন, তাদের একটি শর্ত মেনে চাকরি করতে হচ্ছে। ওই শর্তে বলা হয়েছে, এই কাজের জন্য পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (পিটিএসডি) বা মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে চাকরি করা কর্মীদের ভেতর মানসিক সমস্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে যারা মডারেশনের কাজ করেন, তাদের এই ঝুঁকি বেশি। সারাদিন তাদের যৌন হয়রানি, মারামারি, কাটাকাটি এবং সংঘর্ষের কনটেন্ট রিমুভ করতে হয়।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ জানিয়েছে, সাবকন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেন্টার থেকে ইউটিউব যে মডারেটরদের ভাড়া করে তাদের জন্য এই শর্ত দেওয়া হয়েছে। শর্তটি ইউটিউব দেয়নি। অ্যাকসেন্টারই দিয়েছে।

অ্যাকসেন্টার থেকে গুগল, ফেইসবুক এবং টুইটারের মতো প্রতিষ্ঠান কর্মী নিয়োগ দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর জন্য আউটসাইড মনিটর হিসেবে কাজ করেন এই প্রতিষ্ঠানের মডারেটররা।

ভার্জ জানিয়েছে, ‘অ্যাকনলেজমেন্ট’ শিরোনামের ফর্মটিতে এভাবে লেখা আছে, ‘যে কনটেন্ট আমি পর্যালোচনা করছি, সেটি আমার জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। আমার মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এই ধরনের কনটেন্ট প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারও হতে পারে।’

অ্যাকসেন্টার জানিয়েছে, নিয়োগের সময় নতুন কর্মীদের থেকে এই ফর্মে সাক্ষর নেওয়া হচ্ছে। পুরোনোদের জন্যও ইস্যু করা হয়েছে।

ইউটিউব বলছে, ‘তারা এখনো ফর্মটি দেখেনি। তবে কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা দিতে কোনো নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান পদক্ষেপ নিলে, তাতে ক্ষতির কিছু নেই। সেটা বরং ভালো।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত