এই দখলের মানে কী

পঞ্চগড়ে ব্যক্তি মালিকানায় জমি রেকর্ডের নির্দেশ

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ১১:৩৪ পিএম

পঞ্চগড়ের চারটি উপজেলায় ‘প্রাইভেট ফরেস্ট অর্ডিন্যান্স ১৯৫৯’-এর আওতায় বন বিভাগের দখলে থাকা ৫৬০২ দশমিক ৩০ একর জমি চলমান জরিপে বন বিভাগের নামে রেকর্ডের কোনো সুযোগ নেই। ব্যক্তি মালিকানাধীন এসব জমি সিএস ও এসএ জরিপ মূলে আইনগতভাবে সরকারের অনুকূলে অধিগ্রহণসহ ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা হলে চলমান জরিপে ওই জমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে রেকর্ড করার নির্দেশনা দিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়।

গত ৩ ডিসেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আবদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ওই জমি ক্ষতিপূরণ ছাড়া বন বিভাগের নামে রেকর্ড হয়ে থাকলে জনস্বার্থে তা বাতিল ও সংশোধনপূর্বক সংশ্লিষ্ট মালিকদের নামে রেকর্ড করার পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যক্তিমালিকানাধীন কোনো ভূমিতে ইতিমধ্যে বন বিভাগের ব্যবস্থাধীনে দি প্রাইভেট ফরেস্ট অর্ডিন্যান্স ১৯৫৯-এর আওতায় বনায়ন করা হয়ে থাকলে কেবল সেক্ষেত্রেই খতিয়ানের মন্তব্য কলামে ‘প্রাইভেট ফরেস্ট অর্ডিন্যান্স ১৯৫৯ অনুযায়ী ব্যবহার্য’ লিখতে চিঠিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দিনাজপুরের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. শামছুল আজম জানান, এমন একটা নির্দেশনা পেয়েছি। এই নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘এই দখলের মানে কী’ শীর্ষক একটি খবর ছাপা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত