এসবি কর্মকর্তাকে মারধর

শওকতের আরও ৭ সহযোগীকে খুঁজছে পুলিশ

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০২:৪৮ এএম

খিলগাওয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এস আই আবদুল মজিদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিজয়ী কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন শওকতের আরও ৭ সহযোগীকে খুঁজছে পুলিশ। যাদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশের একাধিক টিম। তবে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তাদের কাউকে ধরতে পারেনি। গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় জানাতে চাননি অভিযানকারী পুলিশ কর্মকর্তারা।

এর আগে সোমবার রাতে কাউন্সিলর শওকতসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে খিলগাঁও থানা পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। মারধরের শিকার এসআই আবদুল মজিদ এজাহারে শওকতসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত হিসেবে আরও ৫-৭ জনকে আসামি করেন।

গতকাল বুধবার মোবাইল ফোনে খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, কাউন্সিলর শওকত তার প্রতিপক্ষের লোক ভেবে পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর করেছেন। যদিও তিনি পরিচয় দিয়েও রক্ষা পাননি। এজন্য মারধরে জড়িত সবার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই হামলার সময় যারা ছিলেন তাদের প্রত্যেকের তথ্য নিয়ে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে, তবে গ্রেপ্তারের স্বার্থে নাম বলা যাচ্ছে না।

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই আবদুল মজিদ মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, সোমবার সন্ধ্যায় খিলগাঁও বি-ব্লকের পল্লীমা সংসদের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর শওকত ও তার সহযোগীরা তার ওপর হামলা চালান। তাকে কিলঘুষি দিয়ে জখম করে এবং পুলিশ পরিচয় পাওয়ার পরও মারধর অব্যাহত রাখে। তার মোবাইল ফোন ও আইডি কার্ডও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। কাউন্সিলর শওকত ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে খিলগাঁও এলাকায়। গত শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার তিন দিনের মাথায় পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার হলেন তিনি। পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন শওকতের সহযোগী মারুফুর রহমান ইমন, ওয়ালিদ হোসেন আহাদ, জুনায়েদ হোসেন ফারহান, মিন্টু গাজী, মোখলেছুর রহমান, আলমগীর হোসেন সরদার ও মোস্তাফিজুর রহমান মন্টু। তারা সবাই কারাগারে রয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত