ফরিদা রানুর প্রথম কবিতার বই ‘ভালোবাসা কথা কয়’

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:২৬ পিএম

প্রেমের ক্ষেত্রে নিয়ম ভেঙে অমর হয়েছেন লাইলি-মজনু, শীরি-ফরহাদ। ভালোবাসার মানুষটি পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও এখনো ‘ভালোবাসি’ ‘ভালোবাসি’ বলে ওপার থেকে ডাকে। ভালোবাসার এমন অমরত্ব নিয়ে এবার একুশের বইমেলায় এসেছে ফরিদা রানুর প্রথম কবিতার বই ‘ভালোবাসা কথা কয়’।

ফরিদা রানু নৌপুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তার বইটি প্রকাশ করেছে সময় প্রকাশন। প্রকাশক ফরিদ আহমেদ । প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্রুব এষ। প্রচ্ছদ আলোকচিত্রী কামরুল হাসান মিথুন।

কবি ফরিদা রানু জানান, এর আগে ‘নৈঃশব্দের ভালোবাসা’ নামে গত বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার সম্পাদিত একটি নাটকের বই। প্রয়াত স্বামী মরহুম শফিকুল ইসলাম নাটকটির লেখক ছিলেন। অকাল প্রয়াত নাট্যকার ব্যক্তি জীবনে অনেক না বলা কথা রেখে গেছেন। সময়ে সময়ে তিনি কবিকে জানান দেন, তিনি এখনও তার পাশেই আছেন।

ফরিদা তার প্রয়াত স্বামীর বিদেহী আত্মার জন্য সবার কাছে দোয়া এবং ভালোবাসা কামনা করেছেন।

তিনি জানান, ‘ভালোবাসা কথা কয়’ বইটি একজন স্ত্রীর তার প্রিয়জনের প্রতি লেখা কিছু চিঠি, কিছু কথোপকথন। আমরা পাশাপাশি থেকেও অপর পাশের মানুষের ভালোবাসাগুলো অনুভব করেতে পারি না। পারি না হৃদয়ের ফ্রেমে বন্দী করে রাখতে সতেজ, শুভ্র ভালোবাসা। এই সীমিত সময়ের জীবনে কেউ কেউ হাজারো সীমাবদ্ধতার মাঝে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পারে না। কেউ কেউ রেখে যায় অতৃপ্ত সমাপ্তি। বইটির মূল উপজীব্য হলো প্রস্ফূটিত হওয়ার আগেই অকালে ঝরে যাওয়া ভালোবাসা।

তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের জীবনে প্রেম বা ভালোবাসা আসে। প্রকৃত প্রেমিকরা কখনো ভালোবাসা হারিয়ে যেতে দেয় না। স্মৃতির পাতায়, মনের খাতায়, লেখনীতে সেই ভালোবাসাকে ধরে রাখে।

১৯৮৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি থানায় ফরিদা রানুর জন্ম। বাবা মো আব্দুর রাজ্জাক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রকৌশলী এবং মা নিলুফা ইয়াসমিন সাধারণ গৃহিণী। তবে মেয়েদের মানুষের মতো মানুষ করাই ছিল তাদের ব্রত। বাবার চাকরির সূত্র ধরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পড়াশোনা টাঙ্গাইলে। পরে ইংরেজি সাহিত্যে ইডেন সরকারি কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত