প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস ছড়ানো প্রতিরোধে ম্যাচের পূর্বে খেলোয়াড় ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের ক্যান্ডশেক করায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সরকার করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানোর পর পরই এ ঘোষণা দিল তারা। তাতে বলা হয়েছে, ম্যাচ শুরুর আগে উভয় দল আগের মতোই কাতারে দাঁড়াবে। তবে স্বাগতিক দলের খেলোয়াড়রা অতিথি দলের সামনে নিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হ্যান্ডশেক করতে পারবে না।
বিবিসি জানিয়েছে, বিশ্বের ৮৭টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি।
শুক্রবার প্রিমিয়ার লিগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী এই সপ্তাহ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ফেয়ার-প্লে হ্যান্ডশেক হবে না।”
“করোনাভাইরাস সর্দির মাধ্যমে নাক-মুখ থেকে হাতে লাগার পর হ্যান্ডশেকে ছড়িয়ে যেতে পারে।”
আগামী শনিবার প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের মাঠে বোর্নমাউথের মুখোমুখি হবে লিভারপুল। বৃহস্পতিবার তারা জানিয়েছে, সমর্থকদের সংস্পর্শ এড়াতে ম্যাচটিতে তারা তাদের মাসকট রাখবে না। কোনো স্টাফকে করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা কোনো দেশেও পাঠাবে না বলে জানিয়েছে অ্যানফিল্ডের ক্লাবটি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার জন্যও সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে তারা। এ জন্য অ্যানফিল্ডের সব ওয়াশরুমে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ব্যাকটেরিয়ারোধী হ্যান্ডওয়াশ রাখা হয়েছে। দেয়ালে সাঁটানো হয়েছে স্বাস্থ্য তথ্য সংবলিত পোস্টার।
গত সপ্তাহে নিউক্যাল ইউনাইটেডর কোচ স্টিভ ব্রুস জানান, তার ক্লাবের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা সকাল বেলার হ্যান্ডশেক করার রেওয়াজ বন্ধ করে দিয়েছে। ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডের কোচ জানিয়েছেন, তার ক্লাবের খেলোয়াড়রাও হ্যান্ডশেক বন্ধ করে দিয়েছে।
সমর্থকদের অটোগ্রাফ দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে সেলফি তোলায় খেলোয়াড়দের মানা করে দিয়েছে সাউদাম্পটন। আসছে ছুটিতে কোথাও বেড়াতে যেতে খেলোয়াড়দের মানা করে দিয়েছে লিগ ওয়ানের ক্লাব সান্ডারল্যান্ড।
