সাভারের আশুলিয়ায় ডিশ ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মণিকা হাসানকে (২৮) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে সন্ত্রাসীরা।
শনিবার বিকেলে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের দক্ষিণ বাইপাইল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে।
আটককৃতরা হলেন- মো. মোস্তফা (৪০), আমির হোসেন (৩৫) ও জনি শিকাদার (৩৮)। তারা সবাই স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি সোহাগ মুনশির লোক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে দক্ষিণ বাইপাইল এলাকায় নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মণিকা হাসান। একপর্যায়ে মণিকা বাড়ির কাছে পৌঁছালে আগে থেকেই রাস্তায় ওত পেতে থাকা স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহাগ মুনশি ও তার সহযোগীরা তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার দুই হাত ও দুই পা ভেঙে দেয়।
একপর্যায়ে মণিকা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মণিকাকে উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
যুব মহিলা লীগ সদস্যদের ওপর হামলার খবর পেয়ে সাভার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন খাঁন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় এলাকাবাসীরা সন্ত্রাসী সোহাগ মুনশি ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, ডিশ ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে যুব মহিলা লীগ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করে সন্ত্রাসী বাহিনীর মূল হোতা সোহাগ মুনশিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।
