করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আরও ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চাহিদার ভিত্তিতে এ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। গতকাল বিকেলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা। এর আগে গত ১১ মার্চ ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বুধবার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, করোনা প্রতিরোধে যত টাকা লাগবে তত টাকা দিতে প্রস্তুত আছে সরকার। তার পরদিনই ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলো।
অর্থ বিভাগের বরাদ্দপত্রে বলা হয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগের অপ্রত্যাশিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা খাত থেকে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুকূলে সচিবালয় অংশে সাধারণ থোক বরাদ্দ খাতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলো। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ অর্থ চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহ, জনসচেতনতায় প্রকাশনা এবং কেমিক্যাল রি-এজেন্ট খাতে ব্যয় করতে হবে। এর আগের ৫০ কোটি টাকাও একইভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বরাদ্দকৃত এ অর্থ ব্যয়ে কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০০৮ অনুসরণসহ যাবতীয় সরকারি আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ অর্থ প্রস্তাবিত খাত (করোনাভাইরাস ‘কভিড-১৯’) ব্যতীত অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না।
বরাদ্দকৃত অর্থ চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের সংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বয় করতে হবে। এ খাতে অর্থ অন্য খাতে পুনঃউপযোজন বা স্থানান্তর করা যাবে না। অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) এ বছরের ৩০ জুনের মধ্যে ফেরত দিতে হবে। এ ছাড়া অর্থ ব্যয়ের ১০ দিনের মধ্যে কোন কোন খাতে কত ব্যয় হয়েছে তার বিস্তারিত অর্থ বিভাগকে জানাতে হবে।
