চতুর্থবার করোনা টেস্ট হলো ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী কণিকা কাপুরের। আগের তিনবারের মতো এই পরীক্ষার ফলও পজিটিভ। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই হইচই শুরু হয়েছে।
শরীরে করোনার লক্ষ্মণ প্রকাশ পেতেই সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটে কণিকা ভর্তি হন। লন্ডন থেকে এই গায়িকা দেশে ফিরে লখনউতে নিজের বাড়িতে ওঠেন। তার আগে পার্টি করেন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দুনিয়ার বিশিষ্টজনদের সঙ্গে।
এনডিটিভি জানায়, এই মুহূর্তে কণিকা আলাদা একটি ঘরে আইসোলেশনে আছেন। সেখানে রয়েছে অ্যাটাচড বাথ।.তার জন্য রয়েছে আলাদা টিভি সেট। এ ছাড়া এই ধরনের রোগীদের জন্য যে বিশেষ এয়ার কন্ডিশনের ব্যবস্থা রয়েছে সেই সুবিধাও পাচ্ছেন তিনি।
লন্ডন থেকে ফেরার পর ১১ মার্চ লখনউ আসেন কণিকা। সেই সময় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলে। তিনি সেই সমস্ত নির্দেশ উপেক্ষা করে রীতিমতো পার্টি করেন।
বিদেশ থেকে ফেরার ১০ দিন পরে শিল্পী ঘোষণা করেন, “গত চার দিন ধরে ফ্লু-এর দেখা দিয়েছে। পরীক্ষা করার পর কভিড-নাইনটিন ধরা পড়ে। আমি এখন সম্পূর্ণ আইসোলেশনে আছি। এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করে চলেছি।”
গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটের প্রধান অধ্যাপক আর কে ধীমান জানিয়েছেন, কণিকার যেহেতু চারবার করোনা পজিটিভ এসেছে তাই আরও দু'বার পরীক্ষা করা হবে। তখন নেগেটিভ এলে তাকে সম্পূর্ণ বিপদমুক্ত হিসেবে ছাড়া হবে। ততদিন পর্যন্ত চিকিৎসা চলবে তার।
কণিকার সংস্পর্শে আসা একাধিক বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তবে কারো মাঝে এখনো করোনার লক্ষণ দেখা যায়নি।
এ দিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরেও পার্টি করায় গায়িকার বিরুদ্ধে মামলা করেছে লখনউ প্রশাসন। সরোজিনী নগর থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ১৮৮, ধারা ২৬৯ এবং ২৭০ ধারায় এ মামলা হয়েছে। অভিযোগ করেন লখনউয়ের চিফ মেডিকেল অফিসার (সিএমও)।
