বগুড়ার করোনা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সপ্তাহখানেক ধরে পায়ের ব্যথায় ভুগতে থাকা শিশুটি তিন দিন ধরে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। বুধবার সকালে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে দুপুরে তাকে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যায় সে মারা যায় ।
মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল মারা যাওয়া কিশোরের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, সপ্তাহ খানেক ধরে পায়ের ব্যথায় শিশুটি অসুস্থ থাকায় তারা স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সোমবার থেকে শিশুটি পায়ের ব্যথার সঙ্গে জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগতে শুরু করে। বুধবার সকালে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তারা দুপুরে তাকে হাসপাতালে আনেন।
জ্বর ও শ্বাসকষ্ট থাকায় তাকে বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
ডা. কাজল আরও জানান, ভর্তির সময় শিশুটির অবস্থা খুবই নাজুক ছিল। অক্সিজেন দেয়ার পর কিছুটা স্থিতিশীল হলেও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মারা যায় শিশুটি। করোনা ভাইরাসের উপসর্গ জ্বর ও শ্বাসকষ্ট থাকায় মরদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান এই চিকিৎসক।
বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, যেহেতু করোনার উপসর্গ থাকার কারণে শিশুটিকে আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়েছিল, তাই তার দাফনের প্রক্রিয়াও সংক্রামক ব্যাধির অনুযায়ী করা হবে। পাশাপাশি ওই শিশুটির বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়ি লকডাউন ঘোষণার প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানান তিনি।
