এবার বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে নজর পাকিস্তানের

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২০, ০১:৫৪ এএম

শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজন করে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে পাকিস্তান। নিজেদের দেশে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে এখন আর অনিশ্চয়তা নেই-বিশ্বের কাছে এমন একটি বার্তাও দিতে পেরেছে। তাই এবার পরের পদক্ষেপে পা রাখতে চাইছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তারা এবার বৈশিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায়। আইসিসির ২০২৩-৩১ ইভেন্ট চক্রে ২৮টি ইভেন্টের মধ্যে এক বা একাধিক টুর্নামেন্টের সংগাতিক হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে পিসিবি। নতনু এই চক্রের জন্য আয়োজক হতে আগহ্রী সহযোগী এবং পণূর্ সদস্য দেশগুলোর কাছে আবেদন চেয়েছে আইসিসি। তাতে প্রায় ১০০’র বেশি আবেদন পড়েছে বলে জানায় আইসিসি। তাতে পাকিস্তানও আছে। অবশ্য এই চক্রের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই পাকিস্তানের আয়োজক হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছে পিসিবি। সেই ধারাবাহিকতায় তাদের পিসিবির আনষ্ঠুানিক আবেদন জমা পড়ল আইসিসির বক্সে। পাকিস্তান সবর্শেষ আইসিসি টনটুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক হয়েছিল ১৯৯৬ বিশ্বকাপে। 

এরপর ২০১১ বিশ্বকাপে সহ-আয়োজক হওয়ার কথা ছিল দেশটির। কিন্তু ‘২০০৯ সালে তাদের দেশে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের ওপর জঙ্গি হামলার পর থেকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ ছিল পাকিস্তান। এরপর দেশে ক্রিকেট ফেরার জন্য পাকিস্তানের অপেক্ষা ছাড়া কিছু করার ছিল না। সেই অপেক্ষার পালা শেষ হয় গত ডিসেম্বর সেই শ্রীলঙ্কা দল দিয়েই। এ বছরের জানয়ুারিতে বাংলাদেশও পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ খেলে।

তাই এবার বৈশিক টুর্নামেন্ট  আয়োজন করতে চাইছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। তাতে বৈরী প্রতিবেশী ভারতের মতামত নিয়ে বিস্তর পশ্রন থাকছে। কারণ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে আবেদন করে এ বছর এশিয়া কাপ আয়োজনের প্রস্তাব পেয়েছিল পাকিস্তান।

কিন্তু ‘ভারত তাদের দেশে যাবে না বলে ওই টুর্নামেন্ট কোথায় হবে সে ব্যাপারে আনষ্ঠুানিক সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। তবওু আশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান । পিসিবির একজন মখুপাত্র জানান, ‘২০২৩-৩১ চক্রে আইসিসি টুর্নামেন্টের আয়োজক হওয়ার জন্য আমরা আইসিসির কাছে ইচ্ছা পোষণ করেছি। আইসিসি গাইডলাইন অনযুায়ী আমরা কাজ করার চেষ্টা করব এবং আনষ্ঠুানিক প্রস্তাব খবু শিগগিরই রাখব।’ টুর্নামেন্ট  আয়োজনের প্রস্তবের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সম্প্রিত আইসিসির পধ্রান নির্বাহী মানু সাওনি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। আইসিসির একজন মখুপাত্র জানান, ‘আমরা প্রত্যেক দেশের আগ্রহ  দেখে সত্যিই আনন্দিত যে সবাই যে কোনো একটি টনটুর্নামেন্টের হলেও নিজ দেশে আয়োজন করতে চায়।  ইতিমধ্যে আমরা ১০০টি আবেদন পেয়েছি। ১৮টি সদস্য মোট ২৮টি ইভেন্টের একেকটির আয়োজক হওয়ার আবেদন করেছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত