ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪ এর জেলা প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ লিটুর উপর পুলিশের হামলা ও লাঞ্চিতের ঘটনা এক এএসআই সহ ৩ পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর থানার এএসআই ফজলে রাব্বী ও ৩ পুলিশ সদস্যকে ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করেন বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জান।
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক ভাবে জড়িত থাকার প্রমান পাওয়ায় এএস আই সহ ৩ জনকে ক্লোজড করা হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকের পক্ষ থেকে অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব তাহের মো: আব্দুল্লাহকে তদন্তভার দিয়ে তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার এ এস আই ফজলে রাব্বী ও তার সাথে আরো ৩ জন সিপাহী রাস্তায় টহলে ছিল। করোনা সংক্রান্ত নিউজ সংগ্রহ করে সাংবাদিক লিটু শহরের অফিস থেকে বাসায় মোটরসাইকেল যোগে যাচ্ছিল। রাস্তায় তাকে পুলিশ গাড়ি থামাতে বললে গাড়ি থামানোর সাথে সাথেই এএসআই ফজলে রাব্বী ও দুজন সিপাহী কিছু বলার আগেই সাংবাদিক লিটুকে বেধরক মারপিট শুরু করে ও লাঞ্চিত করেন।
পরবর্তিতে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও এ এস আই রাব্বী ক্ষিপ্ত হয়ে বলে সাংবাদিক হলে আরো বেশি করে পিটাও। এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব সভাপতি মনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান মিঠু, ঠাকুরগাঁও টিভি জার্নালিস্ট এ্যাসেসিয়েশনের সভাপতি ফিরোজ আমিন সরকার, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানু তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
