ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির মতো চীনও আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ নভেল করোনাভাইরাসের কার্যকরী একটি ভ্যাকসিন প্রস্তুত করার আশায় আছে।
চীনের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের শীর্ষস্থানীয় ভাইরাসবিদ ডাঃ গাও ফু সিজিটিএনকে বলেছেন, ‘জরুরি ব্যবহারের জন্য শরতের ভেতর আমাদের ভ্যাকসিনটি প্রস্তুত হতে পারে।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তাদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত ৮০টির মতো প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে চীনের এবং আমেরিকার একটি করে প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল দিয়েছে। গোটা পৃথিবীতে নিজেদের মতো করে ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে মোট শতাধিক প্রতিষ্ঠান।
নতুন রোগের ভ্যাকসিন তৈরি করতে সাধারণত কয়েক বছর সময় লাগে। নভেল করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন তৈরি করা যায়।
গাও ফু বলছেন, ‘চলতি বছরের শেষ দিকে আমাদের ভ্যাকসিনটি আসতে পারে। তবে সেটি শুধুমাত্র জরুরিভিত্তিতে ব্যবহার করা হবে।’
‘যদি এটি সফলভাবে আনা যায়, তাহলে শুরুতে চিকিৎসকদের দেয়া হবে, যারা করোনা মোকাবিলায় কাজ করছেন।’
ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি গত বৃহস্পতিবার তাদের চাডক্স১ এনকভ-১৯ ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল দিয়েছে। অক্সফোর্ড জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের ভেতর ভ্যাকসিন প্রস্তুতের বিষয়ে তারা ৮০ শতাংশ আশাবাদী।
