ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে এক চা দোকানীর ঘরে ডাকাতিকালে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক মাদ্রাসা ছাত্রী।
শনিবার দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাগাজী মডেল থানার উপপরিদর্শক নওশের কোরেশী ওই ছাত্রীকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কামরুল হাসানের আদালতে হাজির করেন। মাদ্রাসা ছাত্রী আদালতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি প্রদান করেন। পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে বাবার জিম্মায় হস্তান্তর করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে এক চা দোকানীর ঘরে ডাকাতি করতে গিয়ে স্বর্ণালংকার না পেয়ে মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়েকে (১৬) ধর্ষণ করে এক ডাকাত।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানায়, ডাকাতরা ঘরের দরজার ছিটকানি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে কাপড় দিয়ে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিন্মি করে নগদ ১৫ হাজার টাকা, ১টি মোবাইল ফোন, ১টি লাইট বস্তায় ভরে নেয়। পরে ঘর তল্লাশী করে স্বর্ণালংকার না পেয়ে ডাকাতদের একজন মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়েকে পাশের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় গৃহকর্তা বাঁধা দিতে চাইলে ডাকাতরা তাকে ও তার স্ত্রীকে মারধর করে।
ঘটনাটি নিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার ভয়ে ও লোকলজ্জায় চুপ থাকলেও শুক্রবার বিকালে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। রাতে মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে অজ্ঞাত চার জনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যহত রেখেছে।
