জয়পুরহাটে আক্রান্ত বেড়ে ১৯, কালাই হাসপাতাল লকডাউন

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২০, ০১:৫৮ পিএম

কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৈশপ্রহরীসহ জয়পুরহাটের কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলায় আরও ১১ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

নৈশপ্রহরী আক্রান্ত হওয়ায় সোমবার রাত থেকেই কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন করা হয়েছে।

এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯ জন। জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৈশ্যপ্রহরী ও তার ভগ্নিপতির বাড়ি একই এলাকায়। তার ভগ্নিপতি গার্মেন্টসকর্মী। কয়েকদিন আগে তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়ি আসেন। পাশাপাশি অবস্থানের কারণে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানোর পর সোমবার রাতে তার শরীরে করোনা রিপোর্ট এসেছে। ওই নৈশপ্রহরী হাসপাতালে ওয়ার্ডবয়েরও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে সকলেই তার সান্নিধ্যে আসায় রাতেই হাসপাতাল লকডাউন করা হয়েছে।

এ ছাড়া করোনা শনাক্ত হওয়া অন্যদের মধ্যে ১৭ বছরের এক যুবক তাবলিগ জামাত থেকে এবং বাকিরা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন।

এর আগে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা জেলার ৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

জয়পুরহাট সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা জানান, সোমবার রাতেই ১১ জনকে আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশনে (সেফ অতিথিশালা) রাখা হয়েছে। তাদের পরিবারের নমুনা সংগ্রহ করে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৈশপ্রহরীর পজিটিভ রিপোর্ট আসায় হাসপাতালটি লকডাউন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ পর্যন্ত জেলায় ১০১৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৬০২ জনের নমুনা রিপোর্ট পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে ১৯ জনের পজিটিভ, বাকিদের নেগেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত