সাতক্ষীরায় মেহেনাজ পারভিন (১৯) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে প্রচার চালিয়ে লাশ মাটি দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সদর উপাজেলার লক্ষীদাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মামলার পর পারভিনের স্বামী রিপন হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, হত্যার পর রাত ১২টার দিকে পারভিন করোনায় মারা গেছেন প্রচার চালিয়ে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন লাশ মাটি দেওয়ার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা এসে তাদের আটক করে একটি ঘরে রাখে। ঘরের জানালা ভেঙে রিপনের পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ রিপনকে আটক করে। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় রিপনের নাম উল্লেখ করে পারভিনের বাবা দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মুকুল হোসেন হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানান, রিপন ভোমরা বন্দরে খুচরা পেঁয়াজ বিক্রি করত। অভাবের কারণে তার ও পারভিনের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। প্রায়ই পারভিনকে সে মারধর করত।
