কুমিল্লার তিতাসে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতার টাকা থেকে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সোমবার ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ।
ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের খলিলাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বয়স্ক ভাতার কার্ডধারী প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা করে প্রদান করেন ব্যাংকের লোকজন।
টাকা নিয়ে বের হওয়ার সময় ইউপি চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন আহম্মেদের ব্যক্তিগত সহকারী মোবারক হোসেন চেয়ারম্যনের কথা বলে পাঁচশত টাকা করে রেখে দেন।
টাকা না দিলে যদি কার্ড বাতিল করে এই ভয়ে টাকা দিয়েছেন বলে জানান সুবিধাভোগী কার্ডধারী মনু মিয়া (৮০)।
একই অভিযোগ কার্ডধারী তোতা মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, হরিপদ, মিলন দাস ও রানু বেগমসহ অন্য সুবিধাভোগীদের।
তারা বলেন, ‘দেশো ভাইরাস আইছে, আমগোরে কেউ কেউ বাড়ীতে চাল, ডাল দিয়া গেছে। আর সরকার আমাগরে টাকা দেয়, এখান থেকেও চেয়ারম্যানগো খাওন লাগে।’
এলাকাবাসী জানায়, চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জাড়িত সালাহ উদ্দিন আহম্মেদ। কোনো এক ঘটনায় আগের ইউএনও মামলাও করেছিলেন এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এখন এই চেয়ারম্যানের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেয়ারম্যানের মোবাইলে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
উপজেলা নির্বহিী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার দেশ রূপান্তরকে জানান, বয়স্ক ভাতার টাকা থেকে নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ৫শ টাকা করে উৎকোচ নিয়েছে এমন অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
