সুজনরা বোলিং মেশিনের নাম দিয়েছিলেন ‘মুচকি হাসি’

আপডেট : ১১ মে ২০২০, ০২:৫৬ এএম

বাংলাদেশ দলের এখনকার খেলোয়াড়রা আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা পেলেও আকরাম খান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাহমুদ সুজনদের সময় তেমনটা ছিল না। এমনকি ১৯৯৯ বিশ্বকাপের আগে প্রথম বোলিং মেশিন দেখেন সেই সময়ের খেলোয়াড়রা। ক্রিকেটাররা যার নাম দিয়েছিলেন- ‘মুচকি হাসি।’

এমন সব তথ্যই উঠে এসেছে রবিবার তামিম ইকবালের সঙ্গে দেশের তিন সাবেক অধিনায়কের ফেইসবুক আড্ডায়।

নাইমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাহমুদ সুজন ও হাবিবুল বাশারকে নিয়ে ফেইসবুক লাইভে যুক্ত হন তামিম। আড্ডার উদ্দেশ্যই ছিল- দেশের ক্রিকেটের শুরুর সময়ের সংগ্রামের গল্পগুলো জানা। সেখানেই বোলিং মেশিন নিয়ে মজার তথ্য দেন সুজন। তুলে ধরেন সুযোগ সুবিধার অপ্রতুলতার কথা।

সাবেক এই অধিনায়ক বলছিলেন, ‘আমাদের তখন একটা জিনিস ছিল, আমরা স্কিলের দিক থেকে অতটা ভালো বোলার ছিলাম না কেউ। আমাদের টেকনিক্যাল অনেক প্রবলেম ছিল। বোলিং মেশিন দেখেছিলাম আমরা বিশ্বকাপের আগে। তাও সেটার নাম দিয়েছিলাম মুচকি হাসি।’

তামিমকে গল্প বলে যান সুজন, ‘তোরা আজকে এটা শট ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনিং করিস। আমাদের সময় একটা আউট সুইং আসত বা একটা ইনসুইং আসত, এটা ছিল অনেক কষ্টের। আমাদের যেটা ছিল, আমরা রেগুলার ম্যাচ দেখতাম। প্রিমিয়ার লিগের খেলা বা টিভিতে যে কোনো খেলা। আমাদের গেম সেন্স কিন্তু ভালো ছিল।’

এই গেম সেন্সের জায়গায় এখনকার খেলোয়াড়রা অনেক পেছনে বলে মনে করেন সুজন, ‘এখন ন্যাশনাল টিমে যারা আছে বা তার পরে যারা আছে, আমি যেটা ফিল করি, আমাদের স্কিল অনেক ভালো। ছেলেরা এখন অনেক সাহসী। কিন্তু গেম সেন্সের জায়গায় আমরা ওই বয়সে যতটুকু এগিয়ে ছিলাম, এই বয়সে কিন্তু গেম সেন্স সে রকম হয় না। কারণ আমাদের ছেলেরা মাঠে গিয়ে খেলা দেখে না।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত