ভিডিও ছড়ানোর পর বন্দী নির্যাতনের স্বীকারোক্তি মিয়ানমারের

আপডেট : ১৩ মে ২০২০, ০৩:২৭ পিএম

চোখবাঁধা বন্দীদের নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দোষ স্বীকার করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চোখ এবং হাতবাঁধা কয়েকজন ব্যক্তিকে নির্মমভাবে মাথায় আঘাত করা হচ্ছে। কেউ আবার ইচ্ছামতো লাথি মারছেন।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী আরাকান আর্মি (এএ) সন্দেহে গ্রেপ্তার করা ৫ বন্দীকে গত ২১ এপ্রিল নৌকায় করে রাখাইন স্টেটে নেয়া হয়। এ সময় তাদের বেআইনিভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বিদ্রোহী আরাকান আর্মিদেরও নিয়মিত নির্যাতন করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। ধারণা করা হয় আরাকান আর্মির সদস্য সংখ্যা দুই হাজারের মতো। এই আরাকান আর্মি গঠিত হয় কাচিন বিদ্রোহীদের সংগঠন কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায়।

আরাকান আর্মিরা মনে করে, আরাকানিরা বঞ্চনার শিকার, মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় সরকার আরাকানের উন্নয়নে কিছুই করেনি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী সব সময় তাদের ওপর নির্যাতনের খবর অস্বীকার করতে চায়। আগে যতবার ভিডিও ছড়িয়েছে, ততবার তারা কৌশলী মন্তব্য করেছে। এবারও পরিস্থিতি তেমন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা যেভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, সেটি আইনানুগ পন্থা নয়।’

দায়ীদের বিরুদ্ধে সেই আগের মতো তথাকথিত ব্যবস্থা নেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত