বোরো ধানের ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষক : কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ১৫ মে ২০২০, ০১:৫৬ এএম

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষি বিভাগের ১৪টি অঞ্চল ও জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকদের পাঠানো তথ্যানুসারে এবার ধানের যা দাম আছে এটি মোটামুটি যুক্তিসংগত। ধান-চালের দাম বাড়লে চাষি ও কৃষকরা খুশি হন, কিন্তু সীমিত আয়ের মানুষেরা কষ্ট করেন। তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা আমাদের রক্ষা করতে হয়। সারা দেশে ৭০০ থেকে ৯৫০ টাকা প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।

গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে বোরো ধানের দাম এবং ধান কর্তন অগ্রগতি বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনলাইনে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আবদুর রৌফ এবং কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে এ বছর ৪৭ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ইতিমধ্যে হাওরের শতভাগ এবং সারা দেশের শতকরা ৪৮ ভাগ ধান কর্তন শেষ হয়েছে। অঞ্চলভেদে ধানের বাজার দরের কমবেশি রয়েছে। তাছাড়া ভেজা ও শুকনা ধান এবং মোটা-চিকন ধানের দামেও পার্থক্য রয়েছে। কৃষকরা সফলভাবে ধান ঘরে তোলার পাশাপাশি ধান বিক্রিতে ভালো দাম পাচ্ছেন।

হাওর অঞ্চলের সিলেট জেলায় বর্তমানে ভেজা ধান ৭০০-৭৫০, শুকনা ধান ৮০০-৮৫০, মৌলভীবাজারে ভেজা ধান ৬৫০-৭৫০, শুকনা ধান ৭৫০-৮০০, হবিগঞ্জে ভেজা ধান ৬৫০-৭০০, শুকনা ধান ৭৫০-৮০০, সুনামগঞ্জে ভেজা ধান ৬৫০-৭৫০, শুকনা ধান ৭৫০-৮০০ এবং নেত্রকোনায় ভেজা মোটা ধান ৬৫০-৬৮০ ও চিকন ধান ৮০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। কুমিল্লা অঞ্চলে ৭৭ ভাগ ধান কর্তন শেষ হয়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, জেলায় মোটা ধান ৮০০-৮৫০, চিকন ধান ৯০০, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভেজা ধান ৬০০-৭০০, শুকনা ধান ৮০০ এবং চাঁদপুরে মোটা ধান ৮০০-৮৫০ ও চিকন ধান ৯০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত