টিসিবির পণ্য বিক্রিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে কার্ড পদ্ধতি চালু

আপডেট : ১৭ মে ২০২০, ০৪:৪২ পিএম

ঝিনাইদহে টিসিবির পণ্য বিক্রিতে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে কার্ড ও টোকেন পদ্ধতি।

পৌর এলাকার বাসিন্দাদের হোল্ডিং নম্বর দিয়ে দেওয়া হয়েছে অস্থায়ী কার্ড। যা দেখিয়ে প্রত্যেক ১৫ দিন পর পর মালামাল কিনতে পারছেন তারা।

জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের সহকারী পরিচালক সুচন্দ মন্ডল জানান, গত ১ এপ্রিল ঝিনাইদহে পণ্য বিক্রি শুরু করে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)’র । শুরুর দিকে লাইনে দাড়িয়ে এক ব্যক্তি প্রতিদিন পণ্য ক্রয় করছিল সেই সাথে অসাধু ব্যবসায়ীরা দোকানের কর্মচারীদের লাইনে দাঁড় করিয়ে পণ্য কিনে মজুদ করছিল বলে অভিযোগ পায় জেলা প্রশাসন।

এতে বঞ্চিত হচ্ছিল অনেকেই। এ সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসন ও ঝিনাইদহ পৌরসভা চালু করে কার্ড পদ্ধতি। পৌর এলাকার বাসিন্দাদের বাসার হোল্ডিং নাম্বার দিয়ে কার্ড সরবরাহ করা হয়।

১৫ দিন পর পর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে লাইনে দাঁড়িয়ে স্বল্প দামে পণ্য ক্রয় করছেন কার্ডধারীরা। সেই সাথে পণ্য বিক্রিতে ডিলারদের স্বচ্ছতা আনতে লাইনে দাঁড়ানো ক্রেতাদের হাতে দেওয়া হচ্ছে জেলা প্রশাসনের দেওয়া টোকেন। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ পণ্য বিক্রি করা হয়েছে টোকেনের মাধ্যমে তার হিসাব দেওয়া হচ্ছে।

কার্ড ও টোকেন পদ্ধতি চালু হওয়ায় খুশি ক্রেতারা। এতে বিক্রিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে এমনটি বলছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে মেসার্স রিসেন্ট ভ্যারাইটি স্টোরের, মালিক টিসিবির ডিলার এম এ হাকিম বলেন, কার্ড ও টোকেন পদ্ধতি চালু হওয়াই আমরা সাধারণ মানুষের সেবাটা সহজে দিতে পারছি। এতে করে সামাজিব দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে পারছি।

বসির আহাম্মেদ নামের এক ত্রেুতা বলেন, এর আগে কখনও কার্ড ও টোকেন পদ্ধতি চালু ছিল না। ফলে লাইনে দাঁড়িয়ে বিশৃঙ্খলাভাবে পণ্য কিনতে হতো। এখন শৃঙ্খলা সঙ্গে পণ্য ক্রয় করতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।

এতে করে করোনার প্রভাব থেকে অনেকটা মুক্ত হওয়া যাচ্ছে। আশা করি ভবিষ্যতেই কার্ড ও টোকেন পদ্ধতি চালু থাকবে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, এখন পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১০ হাজার কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। ৩টি স্থানে ট্রাক সেলের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ৭’শ জন উপকারভোগী তেল, চিনি, ডাল, খেজুর ও ছোলা কিনতে পারছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত