কয়েক দশক পর আমেরিকা যখন পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার পরিকল্পনা করছে, তখন বসে থাকলেন না উত্তর কোরিয়ার সুপ্রিম লিডার কিম জন-উং। রবিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, পারমাণবিক শক্তি বাড়াতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিটিং করেছেন কিম।
নভেল করোনাভাইরাসের শঙ্কায় বেশ কয়েক দিন আড়ালে থাকার পর কিম সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসেন। তার প্রায় তিন সপ্তাহ বাদে এই নতুন মিটিংয়ের কথা শোনা গেল।
এর আগে গত শুক্রবার ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, চীন-রাশিয়াকে পরমাণু সংক্রান্ত আলোচনায় বসার চাপ দিতে ট্রাম্প প্রশাসন ১৯৯২ সালের পর প্রথমবার পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর কথা ভাবছে।
বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকার এমন পরিকল্পনার কারণে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্রবিরতি আলোচনা ভেস্তে যেতে পারে।
আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড্যারিল কিমবল সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, ‘অভূতপূর্ব পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার এটাই হতে পারে শুরু।’
নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত আলোচনা অনেকটা থমকে আছে।
এতদিন পর কেসিএনএ’র প্রতিবেদনে বলা হল, ‘শত্রু বাহিনী থেকে ছোট কিংবা বড় হুমকি প্রতিরোধে পারমাণবিক অস্ত্রের নতুন নীতিমালা গঠনে এই আলোচনা সভা। সেনাবাহিনীর সক্ষমতা যথেষ্ট বৃদ্ধি করতে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’
