যে সব পুরুষের অনামিকা আঙুল (রিং ফিঙ্গার) তুলনামূলক লম্বা নভেল করোনাভাইরাসে তাদের মৃত্যুঝুঁকি এখন পর্যন্ত কম দেখা গেছে। যুক্তরাজ্যের সোয়ানসি ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ৪১টি দেশের ২ লাখ মানুষকে নিয়ে গবেষণা করে এই তথ্য দিয়েছেন।
গবেষণাটির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড পত্রিকা দ্য সান জানিয়েছে, যেসব পুরুষ জঠরে বেশি টেস্টোস্টেরন হরমোনের সংস্পর্শে আসে তাদের অনামিকা সাধারণত বেশি লম্বা দেখা যায়। এই হরমোন এসিই২ যৌগকে নিয়ন্ত্রণ করে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যেসব দেশের পুরুষদের অনামিকা ছোট সেখানে তাদের মৃত্যুহার তিনগুণ বেশি।
সোয়ানসি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জন ম্যানিং বলছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রিয়া এবং পূর্ব এশীয় অঞ্চলের পুরুষেরা লম্বা অনামিকার কারণে বায়োলজিক্যাল সুবিধা পেয়ে থাকতে পারেন।’
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসের পুরুষদের অনামিকা সাধারণত ছোট হয়। করোনায় এই অঞ্চলে তাদের মৃত্যুহার ৫৬ শতাংশ।
আঙুলের এই পরিমাপটা সাধারণত তর্জনীর সঙ্গে করা হয়। আর ‘রিং ফিঙ্গার’ বলতে বাঁহাতের অনামিকাকে বোঝায়।
আর পড়ুন: দাঁত মাজলে করোনা সংক্রমণের ‘ঝুঁকি কমে’
‘যাদের প্যারেন্টাল টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বেশি এবং অনামিকা লম্বা, তাদের এসিই২ মাত্রাও ভালো থাকে,’ জানিয়ে ম্যানিং বলেন, ‘এই ঘনত্ব ভাইরাস প্রতিরোধে যথেষ্ট।’
‘আমাদের গবেষণা বলছে যেসব পুরুষের অনামিকা লম্বা, তাদের কভিড-১৯ রোগের উপসর্গ খুব একটা তীব্র হয় না এবং দ্রুত কাজে যোগ দিতে পারেন।’
