আম্পানের তাণ্ডবে ধ্বংস হয়েছে দুই চব্বিশ পরগণা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন-হিঙ্গলগঞ্জ- বসিরহাটের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। উড়ে গিয়েছে শেষ আশ্রয়টুকুও। প্রচুর মানুষ ঘরহারা। বৃহস্পতিবার সেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তার লোকসভা কেন্দ্র বসিরহাটে গেলেন সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। বিধ্বস্ত হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালি, হাড়োয়া, মিনাখায় যান ও সেখানকার মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন।
বৈঠক করেন স্থানীয় বিডিওর সঙ্গে। নিজের হাতেই দাঁড়িয়ে থেকে ত্রাণ বিলি করেন। শুকনো খাবার, ত্রিপলের ব্যবস্থা করেন। এখানেই থেমে থাকলেন না। বিপর্যস্ত হিঙ্গলগঞ্জের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নুসরাত সকলকে আবেদন জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনকি বিধ্বস্ত হিঙ্গলগঞ্জের বেশ কিছু ছবি তিনি শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সেদিন রিলিফ সেন্টারেও যান নুসরাত। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে তিনি পর্যাপ্ত সাহায্য পাননি। টলিউডের বন্ধু বান্ধব এবং প্রবাসী বাঙালিদের থেকে তিনি টাকা জোগাড় করছেন। আর নুসরাতের সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন রূপম ইসলাম, রূপসা দাশগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, মৌসুমী দাশগুপ্ত।
তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে নুসরাত লেখেন, তোমাদের সকলকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই। আমার অনেক প্রবাসী বন্ধুও সাহায্য করেছেন। তাদের সকলের কাছে তিনি চিরকৃতজ্ঞ।
এরপরই সেই ত্রাণ তিনি বিলি করেন বসিরহাটের একাধিক অঞ্চলে। মিটিংও সারেন প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে। বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের সমস্যা নিয়েও কথা বলেন। অঞ্চলগুলির অবস্থা এতটাই খারাপ যে সুন্দরবন পরিদর্শনের পরদিনই মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী যান হিঙ্গলগঞ্জ, মিনাখায়।
