প্রতিপক্ষের বাধার মুখে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পাড়কোলা গ্রামের প্রায় ১৫০ বিঘা জমির পাকা ধান কৃষকরা কাটতে পারছেন না। ফলে ওই সব জমির ধান জমিতেই ঝরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সময়মতো পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে না পারলে গ্রামের প্রায় ২ শতাধিক কৃষকের ঘরে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে চরম খাদ্যাভাব দেখা দেবে। পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাতে হবে। অপরদিকে, ওই গ্রামে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প থাকার পরও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান পীযূষ গ্রুপের লোকজনের জমি থেকে বর্তমান কাউন্সিলর বেলাল হোসেন গ্রুপের লোকজনের বিরুদ্ধে পাকা ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মোস্তাফিজুর রহমান পীযূষের স্ত্রী পলি খাতুনসহ ওই গ্রামের অর্ধশতাধিক নারী গতকাল শুক্রবার সকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।
পাড়কোলা গ্রামের পলি, শেফালি, বিলকিস, সাজেদা ও সুফিয়া বলেন, তাদের অধিকাংশ জমির ধান পেকে গেছে। পাকা ধান জমিতে ঝরে নষ্ট হচ্ছে। অনেক জমির পাকা ধানে গাছ গজিয়ে গেছে। এ ছাড়া ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে এ এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে নিচু জমির পাকা ধান পানিতে ডুবে গেছে। দুই-এক দিনের মধ্যে এসব জমির ধান কেটে ঘরে তুলতে না পারলে জমিতেই পচে নষ্ট হয়ে যাবে। তারা বলেন, বর্তমান কাউন্সিলর বেলাল গ্রুপের কৃষক আলী আজগার খুন হওয়ার পর থেকে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। গ্রামে পুলিশ ক্যাম্প থাকা সত্ত্বেও দিনের বেলায়ই তারা জমি থেকে পাকা ধান কেটে লুট করে নিয়ে যাচ্ছে।
কাউন্সিলর বেলাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা নিজেরাই কেটে নিয়ে তাদের নামে মিথ্যা দোষারোপ করছে। শাহজাদপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
