বাগেরহাটের শরণখোলায় ভাইবোনসহ একই পরিবারের তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় এই তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।
শনিবার শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের মধ্য রাজাপুর গ্রামের আক্রান্ত বাড়িটিতে লাল পতাকা টাঙিয়ে অবরুদ্ধ করেছে প্রশাসন।
আক্রান্তদের শরণখোলা উপজেলা সদরের রায়েন্দা পাইলট হাইস্কুলে খোলা প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে এই আক্রান্তদের শরীরে করোনা ভাইরাসের কোনো উপসর্গ নেই।
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদা ইয়াছমিন সকালে বলেন, গত ২৬ মার্চ খুলনা থেকে ২০ থেকে ২৭ বছর বয়সী দুই নারী ও এক তরুণ গ্রামের বাড়ি শরণখোলাতে ফেরেন। এরা খুলনায় দর্জি শ্রমিকের কাজ করতেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তাদের এলঅকায় ফিরে আসার সংবাদ স্বাস্থ্য বিভাগকে জানালে স্বাস্থ্য বিভাগ ওই বাড়িতে গিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ সন্দেহে নারীসহ আটজনের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে।
পরদিন আমরা ওই সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষার জন্য খুলনার ল্যাবে পাঠাই। শুক্রবার রাতে খুলনার ল্যাব থেকে ভাইবোনসহ একই পরিবারের তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে জানালে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
আক্রান্ত তিনজনকে করোনা রোগীদের জন্য আলাদাভাবে খোলা রায়েন্দা পাইলট হাইস্কুলে খোলা প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে এই আক্রান্তদের শরীরে করোনাভাইরাসের কোনো উপসর্গ নেই। পরিবারের অন্য সদস্যদের বাড়িতে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে শরণখোলা উপজেলাতে সাতজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হল।
