যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের দায়ে নতুন অভিযোগ আনা হয়েছে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধ।
বিবিসি জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাউভিনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগটি ‘তৃতীয় মাত্রা’ থেকে ‘দ্বিতীয় মাত্রায়’ উন্নীত করা হয়েছে। যাতে বলা হয়, ফ্লয়েডকে হত্যার ‘অভিপ্রায়’ কাজ করছিল অভিযুক্ত পুলিশের মধ্যে।
ওই ঘটনায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা তিন পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না এনে শুধু বরখাস্ত করা হয়েছিল।
এখন হত্যাকাণ্ডে সহায়তা ও সমর্থন দেয়ার জন্য তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে 'তৃতীয় মাত্রা' হত্যার অভিযোগ।
মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল নিজেই টুইটারে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৫ মে মিনেসোটার মিনেপোলিসে কয়েকজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ আফ্রিকান-আমেরিকান জর্জ ফ্লয়েডকে গলায় হাঁটু চেপে হত্যা করে। এই ঘটনার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বর্ণবাদবিরোধী তীব্র আন্দোলন শুরু হয়।
মার্কিন অঙ্গরাজ্যের আইনে ‘প্রথম মাত্রা’ হত্যার অভিযোগ হচ্ছে, কাউকে পূর্বপরিকল্পনা নিয়েই হত্যা করেছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি, ‘দ্বিতীয় মাত্রা’ হত্যার অভিযোগ ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হয় যে, হত্যার ইচ্ছাপোষণ করেছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি।
‘তৃতীয় মাত্রা’ অভিযোগের ক্ষেত্রে ধরা হয় কোনো মৃত্যুতে অভিযুক্ত ব্যক্তির কর্মকাণ্ড বিপজ্জনক ও অমানবিক ছিল।
দ্বিতীয় মাত্রার হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, যা তৃতীয় মাত্রার হত্যার অভিযোগ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বেশি।
এদিকে জর্জ ফ্লয়েডের পরিবার বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তাদের আইনজীবী বলেন, নির্যাতন করেই এই কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তার গলায় হাঁটুচাপা দিয়ে রেখেছিল অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা। ময়নাতদন্তেও এই মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ বলেছে।
