মার্চের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় বান্দার মালয়েশিয়ান ওপেন খেলে দেশে ফিরেই ঘরবন্দি দেশসেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে ওই টুর্নামেন্টের পর বন্ধ হয়ে যায় এশিয়ান ট্যুরের সব আসর। অপেক্ষার শুরুটাও তখন থেকেই। সেই অপেক্ষার প্রহর হয়তো কাটতে চলছে সিদ্দিকুরের। এশিয়ান ট্যুর কর্র্তৃপক্ষ পরিকল্পনা করেছে সেপ্টেম্বর থেকে তাদের আসরগুলো আয়োজন করার। সব কিছু ঠিক থাকলে ১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় সিনহান ডনহে ওপেন দিয়ে ফের যাত্রা শুরু হবে এশিয়ান ট্যুরের। আর পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সিদ্দিকুরও সেই আসর দিয়েই মাঠে ফিরতে চান।
কোরিয়ার সেই আসরের পরপরই চীনা তাইপেতে হবে মারকুইজ তাইওয়ান ওপেন। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর জাপানে হবে প্যানাসনিক ওপেন। এ বছর আরও বেশ কিছু আসর আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এশিয়ান ট্যুরের। যদিও এই আসরগুলো নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে। কারণ বিশ্বজুড়ে বিমান ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা এখনো বিদ্যমান। সেটা স্বাভাবিক হলেই নানা প্রান্ত থেকে গলফার অংশ নিতে পারবেন বিভিন্ন আসরে। তাছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে এশিয়ান ট্যুর। সিদ্দিকুর আশা করছেন সেপ্টেম্বরের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হয়ে আসবে, ‘আগেই বলেছি, যখনই খেলা শুরু হবে তখন থেকেই আমি খেলতে প্রস্তুত। বাসায় ফিটনেস নিয়ে নিয়মিত কাজ করছি। টেকনিক্যাল ও টেকটিক্যাল দিকগুলো নিয়ে কাজ করছি। খেলা শুরুর আগে দুই সপ্তাহ কোর্সে অনুশীলন করলেই আশা করছি সব ঠিক হয়ে যাবে।’
দুইবারের এশিয়ান ট্যুরজয়ী সিদ্দিকুর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স অবশ্য ততটা আশা জাগানিয়া নয়। মালয়েশিয়ায় সর্বশেষ আসরে হন ৩১তম। করোনার এই বিরতিটা সিদ্দিকুর নিজেকে শুধরানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন, ‘আমার লক্ষ্য যেমন ছিলাম তারচেয়ে আরও ভালো গলফ খেলার। নিজেকে আরও নির্ভুল করে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখন সব কিছু স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় আছি।’
