নবীন ফিল্মমেকারদের প্লাটফর্ম 'ফেইল্ড ক্যামেরা স্টোরিজ' এর উদ্যোগে আয়োজিত অনলাইনভিত্তিক আন্তর্জাতিক শর্টফিল্ম ফেস্টিভ্যাল 'লকডাউন শর্টফিল্ম কনটেস্ট' এর ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।
করোনার সময়ে অনলাইনে মাসব্যাপী আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় 'স্পেশাল মেনশন' ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার জিতেছে কেরালা পুলিশ ব্রাঞ্চের প্রযোজনায় নির্মিত শর্টফিল্ম 'লকডাউন'।
এছাড়াও প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশি শর্টফিল্ম 'রান এওয়ে', দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে 'ছায়াছবি', তৃতীয় স্থানে রয়েছে 'সেটিসফেকশন', চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে 'জবানবন্দি' ও 'ডার্ক লাইট'।
মে মাসজুড়ে অনলাইন ইভেন্টে প্রদর্শিত এই শর্টফিল্ম এর আয়োজক ছিল ফেইল্ড ক্যামেরা স্টোরিজ (এফসিএস)। দিক-নির্দেশনায় ছিলেন রাজিব আশরাফ।
জুরি বোর্ডের প্রধান বিচারক হিসেবে ছিলেন নাট্যনির্মাতা এবং লেখক গৌতম কৈরি। সহকারী বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আল আমিন রাকিব তনয় ও হাসিব আল আমিন।
এ প্রসঙ্গে ফেইল্ড ক্যামেরা স্টোরিজ এর পরিচালক সাইদ খান সাগর বলেন, পৃথিবী বর্তমানে একটা অস্থির সময় পার করছে। শারীরিক-অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি বিপর্যস্ত হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্যও। আমরা এই অবস্থায় ঘরে থেকেও শিল্পের চর্চা এবং সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছি সকলকে। একজন শিল্পী, একজন সৃজনশীল মননের মানুষ যে সুযোগ পেলেই মেতে উঠতে ভালোবাসেন তার নির্মাণযজ্ঞে, নিজস্ব বসবাসের গন্ডিতে থেকে শর্টফিল্ম বানিয়ে এই শর্টফিল্মমেকাররা তা আবারো প্রমাণ করেছেন।
এসময় তিনি বিচারক, নির্মাতা, দর্শক, শুভানুধ্যায়ীদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিজয়ীদের নিয়ে শিগগিরই একটি সিনেআড্ডার আয়োজন করবে ফেইল্ড ক্যামেরা স্টোরিজ। যাতে অতিথি হিসেবে থাকবেন নাট্যনির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল এবং গীতিকবি, নির্মাতা ও অভিনেতা রাজিব আশরাফ।
উল্লেখ্য, ১৭ মে থেকে শুরু হওয়া এই শর্টফিল্ম প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গ, মুম্বাই, দক্ষিণ ভারত, রাঁচি, ভিয়েনা এবং বাংলাদেশের তরুণ নির্মাতাদের সর্বমোট ৩৮টি শর্টফিল্ম জমা পড়ে। সেসব শর্টফিল্ম তিনপর্বের যাচাই-বাছাইয়ের পর ঘোষণা করা হয় বিজয়ীদের তালিকা।
