সীমান্তে ভারত এবং চীনের মধ্যে চলমান অস্থিরতা ‘গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ’ করার কথা জানিয়েছে আমেরিকা।
‘ভারত এবং চীনের নিয়ন্ত্রণ রেখার বর্তমান পরিস্থিতি আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি,’ ট্রাম্প প্রশাসনের স্টেট ডিপার্টমেন্ট বিবৃতিতে বলেছে, ‘চীন এবং ভারত উভয় পক্ষই বর্তমান পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।’
লাদাখ সীমান্তে গত কয়েক দিন ধরে দুই দেশের ভেতর টান-টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর ভেতর সোমবার রাতের ঘটনায় নিজেদের এক কর্নেলসহ ২০ সেনা নিহতের কথা স্বীকার করে ভারতের সেনাবাহিনী।
অন্যদিকে চীনের সেনারাও হতাহত হয়েছেন বলে দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদক এমন ইঙ্গিত দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে কিছু এখনো বলা হয়নি।
অথচ এই সংঘর্ষের আগে সোমবার দু’পক্ষের ব্রিগেডিয়ার পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছিল।
ভারতীয় সেনা কর্তৃপক্ষ বিবৃতিতে জানায়, গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ১৯৭৫ সালে এমন ঘটনা ঘটেছিল।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ফেরানোর জন্য সেনা এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালাচ্ছে ভারত-চীন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দুদেশের মধ্যে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যে সমঝোতা হয়েছে তা যদি চীন মেনে চলত তা হলে সোমবার রাতে গালওয়ান উপত্যকায় যে রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটেছে তা এড়ানো সম্ভব হত। ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার মধ্যেই তাদের যাবতীয় কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রেখেছে। আশা করছি চীনও তাদের দিক থেকে এই নিয়ম মেনে চলবে।’
