সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রসৈনিকের প্রস্থান

আপডেট : ২১ জুন ২০২০, ০৫:৫৬ এএম

করোনায় আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন ভাষাসংগ্রামী, মুক্তিযোদ্ধা ও বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব¡ কামাল লোহানী। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি এক ছেলে, দুই মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শোকবার্তায় বলেন, ‘সাংবাদিকতা ছাড়াও আমাদের মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে কামাল লোহানীর অসামান্য অবদান ছিল। তিনি বাঙালি সংস্কৃতির উন্নয়নের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন। তার (লোহানী) মৃত্যুতে দেশ একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও একজন দুর্দান্ত সংস্কৃতি ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক শোকবার্তায় বলেন, ‘আমরা কামাল লোহানীর মৃত্যুতে প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অসাধারণ ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছি। কামাল লোহানী বাঙালির ভাষা আন্দোলন, আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় এবং স্থানীয় সংস্কৃতি বিকাশের আন্দোলনে তিনি ছিলেন শীর্ষস্থানীয়, আদর্শ ও গুণী ব্যক্তিত্ব।’

কামাল লোহানীর ছেলে সাগর লোহানী বলেন, ‘অনেক দিন ধরে বাবার ফুসফুস ও কিডনিতে সমস্যা। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বুধবার তাকে হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে করোনা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়। পরে শুক্রবার সকালে জানা যায় তার করোনা পজিটিভ। বিকেলে মহাখালীর শেখ রাসেল হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। করোনায় আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও ফুসফুস-কিডনির জটিলতার সঙ্গে হৃদরোগ-ডায়াবেটিসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন তিনি।’

এদিকে কামাল লোহানীর মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে দেশজুড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক যেন হয়ে ওঠে শোকবই।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাবেক এই সভাপতির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয় রাজধানীর উদীচীর কার্যালয়ে। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে কামাল লোহানীর মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাজধানীর তোপখানা রোডে উদীচীর কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এর আগে রাজধানীর শেখেরটেকের কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে তার মরদেহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী গোসল করানো হয়। সেখান থেকে আনা হয় উদীচী কার্যালয়ে। এ সময় উদীচীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ জাতীয় শ্রমিক জোট, ওয়ার্কার্স পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি, বিবর্তন সাংস্কৃতিক ফোরাম, কেন্দ্রীয় খেলাঘর, হাতেখড়ি, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন, নবনাট্য সংঘ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীসহ বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যাক্তি কামাল লোহানীর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। শ্রদ্ধা নিবেদনের শেষ পর্যায়ে উদীচীর পক্ষ থেকে সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করা হয় ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে’, ‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’, ‘কে বলেছে হয় না’ এবং ‘ও আলোর পথযাত্রী’ গানগুলো। এরপর তার মরদেহবাহী গাড়িটি জাতীয় পতাকা এবং উদীচীর পতাকা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। পরে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে।

কামাল লোহানীর ছেলে সাগর লোহানী বলেন, ‘সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা চিন্তা করে বড় পরিসরে কোনো কিছু করতে পারিনি। সিরাজগঞ্জে আমাদের গ্রামের বাড়িতে মায়ের কবরেই ওনাকে সমাহিত করব।’

কামাল লোহানীর শেষ ইচ্ছে ছিল তার দেহটি যেন চিকিৎসা গবেষণায় দান করা হয়। কিন্তু সেটি পূরণ হচ্ছে না জানিয়ে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন বলেন, ‘কামাল লোহানীর ইচ্ছা ছিল তার মরদেহ দান করবেন। করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা নেই, তাই এই মুহূর্তে দেহটি  দান করা যাচ্ছে না।’

কামাল লোহানীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের,  কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ, রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শোক জানানো হয়। জাতীয় প্রেস ক্লাব, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), থিয়েটার পত্রিকা ক্ষ্যাপা, অনুস্বর নাট্যদল, থিয়েটার আর্ট ইউনিটসহ অনেকেই শোক প্রকাশ করেছে।

কামাল লোহানীর পুরো নাম আবু নঈম মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান লোহানী। ১৯৩৪ সালের ২৬ জুন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার খান সনতলা গ্রামে তার জন্ম। বাবা আবু ইউসুফ মোহাম্মদ মুসা খান লোহানী। মা রোকেয়া খান লোহানী। মাকে হারান মাত্র সাত বছর বয়সে। কামাল লোহানীর লেখা বইগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘আমরা হারবো না’, ‘সত্যি কথা বলতে কী’, ‘যেন ভুলে না যাই’, ‘মুক্তিসংগ্রামে স্বাধীন বাংলা বেতার’, ‘রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীন বাংলা বেতার’, ‘মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার’, ‘এ দেশ আমার গর্ব’, ‘আমাদের সংস্কৃতি ও সংগ্রাম’, ‘লড়াইয়ের গান’, ‘সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও নৃত্যশিল্পের বিস্তার’,  ‘দ্রোহে প্রেমে কবিতার মত’ এবং কবিতার বই ‘শব্দের বিদ্রোহ’।

কামাল লোহানী ২০১৫ সালে সাংবাদিকতায় একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়াও তিনি কলকাতা পুরসভার দ্বিশতবর্ষ সম্মাননা, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক সম্মাননা, রাজশাহী লেখক সংঘ সম্মাননা, ক্রান্তি স্মারক, ঋষিজ সম্মাননা ও স্মারক, জাহানারা ইমাম পদকসহ বহু পুরস্কারে ভূষিত হন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকার মধ্যে কলকাতার শিশু বিদ্যাপীঠে শিক্ষাজীবন শুরু হয় কামাল লোহানীর। দেশভাগের পর ১৯৪৮ সালে চলে আসেন পাবনায়। পাবনা জিলা স্কুল থেকে ভাষা আন্দোলনের বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এ সময় তিনি যুক্ত হন রাজনীতিতে। যোগ দেন পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টিতে। পাবনায় রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে যোগ দেন। এরই মধ্যে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পরই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ইতি টানেন তিনি। যুক্ত হন রাজনীতি, সাংবাদিকতা ও সংস্কৃতিচর্চায়। ১৯৫৩ সালে পাবনার তৎকালীন জিন্নাহ্ পার্কে (বর্তমান স্টেডিয়াম) মুসলিম লীগ কাউন্সিলে নুরুল আমিনের আগমনের প্রতিবাদ করায় প্রথম গ্রেপ্তার হন তিনি। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের পক্ষে কাজ করায় আবারও গ্রেপ্তার হন তিনি। ১৯৫৫ সালের জুলাই মাসে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে পারিবারিক মতবিরোধ হওয়ায় ঢাকা চলে আসেন কামাল লোহানী। চাচাতো ভাই ফজলে লোহানীর সহযোগিতায় ওই বছরই দৈনিক মিল্লাত পত্রিকা দিয়ে কর্মজীবন শুরু হয় তার। একই বছর তিনি ন্যাপে যোগ দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৫৮ সালে সামরিক আইন জারি হওয়ার পর আত্মগোপনে চলে যান তিনি। ঢাকার আসার পরেই নাচের প্রতি আগ্রহ জন্মে কামাল লোহানীর। বুলবুল ললিতকলা একাডেমির হয়ে কামাল লোহানী তার নৃত্যগুরু জি এ মান্নানের ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ প্রযোজনায় অংশ নেন। পাকিস্তান সাংস্কৃতিক দলের হয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশে তিনি যান। এরই ফাঁকে তিনি চাকরি করেন দৈনিক ‘আজাদ’, দৈনিক ‘সংবাদ’, ‘পূর্বদেশ’-এ। ১৯৬০ সালে চাচাতো বোন সৈয়দা দীপ্তি রানীকে বিয়ে করেন কামাল লোহানী। ২০০৭ সালের ২৪ নভেম্বরে তার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের অনুপ্রেরণাদাত্রী স্ত্রী দীপ্তি লোহানীর প্রয়াণে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন কামাল লোহানী। এ দম্পতির এক ছেলে ও দুই মেয়ে সাগর লোহানী, বন্যা লোহানী ও ঊর্মি লোহানী। ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী পালনে সরকারি নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তার ছিল দৃঢ় ভূমিকা। শতবর্ষ পালনের আয়োজনে ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যে তিনি বজ্রসেনের ভূমিকায় অংশ নিয়ে প্রশংসিত হন। ১৯৬২ সালে স্বল্পকাল কারাবাসের পর কামাল লোহানী ‘ছায়ানট’র সাধারণ সম্পাদক হন। সাড়ে চার বছর এই দায়িত্ব পালন করার পর ১৯৬৭ সালে গড়ে তোলেন ‘ক্রান্তি’ নামে সাংস্কৃতিক সংগঠন। মুক্তিযুদ্ধের সময় কামাল লোহানী স্বাধীন বাংলা বেতারের সংবাদ বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি দায়িত্ব নেন ঢাকা বেতারের। দায়িত্ব নেওয়ার পর বিধ্বস্ত বেতারকে পুনর্গঠনে মনোযোগী হন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে ধারাবিবরণী দিয়েছিলেন কামাল লোহানী। ১৯৭২ সালের ফেব্র“য়ারি বঙ্গবন্ধুর কলকাতা সফর উপলক্ষে দমদম বিমানবন্দরেও ধারাবিবরণী দিয়েছিলেন তিনি। দেশ স্বাধীন হলেও প্রশাসনে পরিবর্তন আসেনি বলে বেতারের চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে ১৯৭৩ সালে সাংবাদিকতায় ফিরে এসে যোগ দেন ‘দৈনিক জনপদ’-এ। ১৯৭৪ সালে ‘বঙ্গবার্তা’, এরপর ‘দৈনিক বাংলার বাণী’ পত্রিকায় কাজ করেন। সরকার ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্র অ্যানালমেন্ট অধ্যাদেশ জারি করে মাত্র চারটি পত্রিকা ছাড়া সব পত্রিকা প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়। নির্মল সেন ও কামাল লোহানী বাকশালে যোগদানে অস্বীকৃতি জানান। ফলে চাকরিহীন অবস্থায় ১৯৭৭ সালে রাজশাহী থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক বার্তা’র নির্বাহী সম্পাদক হন। ১৯৭৮ সালে তাকে সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৮১ সালে তৎকালীন তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধ হলে ‘দৈনিক বার্তা’ ছেড়ে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটে (পিআইবি) যোগ দেন। প্রকাশনা পরিচালক ও ‘ডেপথনিউজ বাংলাদেশ’ এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার কয়েক মাস পরেই তিনি সেখানকার সহযোগী সম্পাদক পদে নিযুক্ত হন। ১৯৯১ সালে তিনি প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০৮ সালে দুই বছরের জন্য আবার শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’র সভাপতি ছিলেন চার বছর। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। এর বাইরেও তিনি ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সদস্য।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত