গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে গিয়ে মাথা ও বুকের সিটি স্ক্যান করান। এ সময় ঢামেক কর্তৃপক্ষ তাকে বিনামূল্যে সিটি স্ক্যান করার সুবিধা দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করেননি জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
শুক্রবার তিনি গণমাধ্যমকে বেলেন, ঢামেক কর্তৃপক্ষ বিনা মূল্যে আমার সিটি স্ক্যান করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু, আমি রাজি হইনি। তাদের বলেছি, সাধারণ মানুষকে পারলে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেন। আমার ক্ষেত্রে যেহেতু দিতে পারব, তাই দিচ্ছি।
২৫ মে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট দিয়ে পরীক্ষাতেই তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পিসিআর পরীক্ষাতেও তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।
এরপর ১২ জুন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত অ্যান্টিজেন কিট দিয়ে পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পরে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার ফলাফলেও তার কোভিড-১৯ নেগেটিভ এসেছে। তবে, ফুসফুসের সংক্রমণ, গলার ইনফেকশনসহ আরও কিছু শারীরিক জটিলতার কারণে তিনি এখনো গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সর্বশেষ গতকাল ঢামেক হাসপাতালে করা সিটি স্ক্যানের ফলাফলে দেখা গেছে, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ফুসফুসে “মাল্টিপল লাং অ্যাবসেস” শনাক্ত হয়েছে।
