কুষ্টিয়ার রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আরাফাত হত্যা মামলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার কর্মচারীর নাম ইলিয়াস জোয়ার্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের কর্মচারী ও ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শৈলকুপা থানার ওসি (তদন্ত) মহসিন হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার তিনি কোর্টে আত্মসমর্পণ করলে কোর্ট তাকে কাস্টডিতে পাঠায়। এখন তিনি ঝিনাইদহ জেলহাজতে আছেন। তদন্ত শেষ হলে মামলা কোর্টে যাবে এবং বিচার হবে।
জানা যায়, দুই মাস আগে আরাফাত হোসেনকে হত্যা করা হয়। এ মামলায় পাঁচ নম্বর আসামি হিসেবে এদিন ঝিনাইদহ কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন ইলিয়াস। এসময় আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
এ মামলায় ছয়জন আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতকদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক নামের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাড়ায় দৈনিক ভিত্তিতে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন। তিনি এ মামলার দ্বিতীয় আসামি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, আমরা এখনও এ বিষয়ে কিছু জানতে পারিনি। তথ্য নিশ্চিত হলে এবং ডকুমেন্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আরাফাত রহমান খুন হয়েছিলেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
