মানবতাবিরোধী অপরাধ: আজহারের রিভিউ আবেদনের শুনানি নিয়মিত আদালতে

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২০, ০৮:৩৮ পিএম

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদনের (রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন) ওপর নিয়মিত আদালতে শুনানি হবে।

সোমবার বিষয়টি ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চের নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চ এ নিয়ে নিয়মিত আদালত খোলার পর শুনানির কথা বলেন।

আজহারের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের অনুলিপি (সার্টিফায়েড কপি) রবিবার পাওয়ার পর ওই দিন দুপুরে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ টি এম আজহারের পক্ষে অ্যাডভোকেট শিশির মনির রিভিউ আবেদনটি দাখিল করেন। আবেদনে খালাস চেয়ে ১৪টি যুক্তি (গ্রাউন্ড) তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী।

মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আজহারের আপিল আংশিক মঞ্জুর করে গত বছরের ৩১ অক্টোবর সর্বোচ্চ সাজা বহাল রাখে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ রায় দেয়। গত ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে বিচারপতিদের স্বাক্ষরিত রায়ের অনুলিপি বিচারিক ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। আইন অনুযায়ী রিভিউ আবেদন খারিজ হলে কারাবিধি অনুযায়ী তার ফাঁসির দণ্ড কার্যকরের ব্যবস্থা নেবে সরকার। অবশ্য দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের সুযোগ থাকবে আজহারের সামনে। যদি সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় তাহলে দণ্ড কার্যকরে কোনো বাধা থাকবে না।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এ টি এম আজহারকে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। জামায়াতের সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের রংপুর শাখার তখনকার সভাপতি ও আলবদর বাহিনীর রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার এ টি এম আজহারকে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যার তিনটি অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত