‘ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল’

প্রধানমন্ত্রী কাল উৎসবের উদ্বোধন করবেন

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২০, ০৭:০০ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল সোমবার দুই দিনব্যাপী ‘ঢাকা-ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ২০২০’ উৎসব উদ্বোধন করবেন। এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ১০০ জন ও বিশ্বের ১৫০ যুবক অংশগ্রহণ করবে। তাদের মধ্যে ১০ জনকে ‘বঙ্গবন্ধু গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে। কাতারের সংস্কৃতি ও ক্রীড়ামন্ত্রী ভাচুর্য়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দোহা থেকে ঢাকার কাছে ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল কি (চাবি) হস্তান্তর করবেন। অনুষ্ঠানে ওআইসি মহাসচিব এবং ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও স্বাক্ষরকারী যোগ দেবেন।

‘রেসিলিয়েন্ট ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী উৎসবের প্রতিপাদ্য হচ্ছেÑ‘প্যারিটি অ্যান্ড প্রসপারিটি : ফর এ রেসিলিয়েন্ট ফিউচার।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন গতকাল শনিবার ভার্চুয়াল আন্তর্জাতিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘এই অনুষ্ঠানটি যুবকদের কাজের উৎকর্ষ তুলে ধরে বাংলাদেশের ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং উপস্থাপনের ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়ের একটি দারুণ সুযোগ করে দেবে।’ আমেল অউচেনামের সঞ্চালনায় এ ব্রিফিংয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং ওয়াইআইসিএফ সভাপতি তাহা আয়হান বক্তব্য রাখেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনকালে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, ‘ঢাকা ১০ যুবককে পুরস্কৃত করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড চালু করবে, যারা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহ্য ও অবদান সম্পর্কে বিশ্বের যুবকদের আলোকিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশÑযা ছিল মূলত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নÑবিশ্বাস করে যে, সমৃদ্ধি কেবল কিছু সুউচ্চ বহুতল অট্টালিকার দ্বারা পরিমাপ করা যায় না এবং অবশ্যই করা উচিত নয়।’

এ ইয়ুথ সামিটে অংশগ্রহণের জন্য ৭৪টি দেশের ১ হাজার ২০০ জনের বেশি যুবক আবেদন করেছিলেন। আয়োজক কমিটি তাদের মধ্য থেকে ২৫০ জনকে বাছাই করেছে। তাদের মধ্যে ১০০ জন বাংলাদেশি ও ১৫০ জন ওআইসিভুক্ত দেশ ও অন্যান্য দেশের। এই বাছাইকালে নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী লিঙ্গ সমতার ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে। দেশ-বিদেশের বাছাইকৃত অংশগ্রহণকারীরা সোমবারের প্রথম অধিবেশনে কভিড-১৯ মোকাবিলা করার লক্ষ্যে আলোচনার জন্য দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞ প্যানেলিস্টদের সঙ্গে যোগ দেবেন। তারা মঙ্গলবার দ্বিতীয় অধিবেশনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতনের বিষয়ে বিচার ও জবাবদিহিতার মতো ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন।

ইউনাইটেড নেশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজি (ইউএনএইচসিআর), ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় অংশগ্রহণকারী যুবকরা ‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে’ ভার্চুয়াল সফর করবেন। সম্মেলন শেষে স্বেচ্ছাসেবা ও মানবিকতার ভিত্তিতে যুবকদের জন্য আরও কর্মসূচির জন্য একটি দলিল গৃহীত হবে। বাসস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত