নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার দিন থেকে পঞ্চমদিন পর্যন্ত (০ থেকে ৫ দিন) রোগীরা সবচেয়ে বেশি ভাইরাস ছড়ান বলে জানিয়েছেন ব্রিটেন এবং ইতালির গবেষকেরা।
কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরির মালিকানাধীন স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট মিড আর্কাইভে গবেষণা নিবন্ধের প্রিন্ট ভার্সনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
গবেষকেরা বলছেন, ৯ দিনের পর অধিকাংশ কভিড-১৯ রোগী অন্যদের জন্য ‘কম ঝুঁকির’ কারণ। তবে কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
উপসর্গ দেখা দেয়ার এক সপ্তাহের ভেতর আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসনালী থেকে ভাইরাস সাধারণত পরিষ্কার হয়ে যায়।
এই গবেষণায় ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগোর বিশেষজ্ঞরা মূলত ভাইরাসের ‘ভাইরাল শেডিংয়ের’ ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
ভাইরাস যখন শরীরে প্রতিলিপি তৈরি করে এবং পরিবেশে ছড়াতে থাকে তখন তাকে ভাইরাল শেডিং বলা হয়।
কোনো কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে দেখা গেছে এই ভাইরাল শেডিং ১৭ দিন থেকেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি প্রথম ছয়দিন (০-৫)।
রোগটি মোকাবিলার ক্ষেত্রে গবেষকদের পরামর্শ, উপসর্গ দেখা দেয়ার পর রোগীকে দ্রুততম সময়ে আইসোলেশন নেয়া উচিত।
ব্রিটেনে আগে রোগীদের সাতদিন বাধ্যতামূলক আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছিল। সম্প্রতি সেটি বাড়িয়ে ১০ দিন করা হয়েছে।
এই গবেষণাসহ একাধিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ০ (উপসর্গের দিন) থেকে পঞ্চমদিন পর্যন্ত বেশি ঝুঁকি, সেটি চলতে থাকে নবম দিন পর্যন্ত।
মিডিয়া আর্কাইভে প্রকাশিত ফলাফলে গবেষকেরা লিখেছেন, ‘কভিড-১৯ রোগীরা অসুস্থতার প্রথম সপ্তাহে বেশি সংক্রামক থাকেন। আর উপসর্গ সবচেয়ে বেশি বাড়ে দ্বিতীয় সপ্তাহে।’
