মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে সহায়তা করেছিল তৎকালীন পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন। আর পাকিস্তানকে সহায়তা করেছিল মার্কিন পরাশক্তি। বাংলাদেশের বিজয়ের মাধ্যমে তাদের পরাজয় হয়েছিল। পরাজিত সেই শক্তি কখনই বাংলাদেশের বিজয় মেনে নিতে পারেনি। তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করেছিল। তাদের চক্রান্তে এ দেশের বেইমান মীরজাফররা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপকমিটি আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক এবং বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় ‘১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড : নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এ সভা হয়। এতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হলো। ওই সময়ে বিশ্ব রাজনীতিতে দুটি ধারা ছিল। একটি ধারা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে, আরেকটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে। আমাদের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত সেই সময় সোভিয়েত ব্লকে, পক্ষান্তরে পাকিস্তান ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে। যার ফলে গ্লোবাল পলিটিকস চলে আসে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার পর যুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সমর্থন করে মার্কিন ও তাদের মিত্ররা। পক্ষান্তরে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের সহায়তা করেছে। তাদের সহায়তায় ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি।’
