বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ৪৯টি কম্পিউটার চুরির মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৭ আসামি। গত শনিবার গোপালগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অমিত কুমার বিশ্বাসের আদালতে তারা এই জবানবন্দি দেন।
রবিবার সংবাদ সম্মেলনে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, গত ২৬ জুলাই রাতে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছন দিকের জানালা ভেঙে ৪৯টি কম্পিউটার বের করে মন্দিরের কাছে রাখা হয়। পরে ট্রাকযোগে যুবলীগ নেতা পলাশ শরীফের মালিকানাধীন রাজধানীর মহাখালীর ক্রিস্টাল ইন হোটেলে নেওয়া হয়। ১৩ আগস্ট রাতে গোপালগঞ্জ ও ঢাকার বনানী থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে হোটেল থেকে ৩৪টি কম্পিউটার জব্দ এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা, গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তের স্বার্থে জবানবন্দিতে আসা জড়িতদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
তবে তাদের গ্রেপ্তার করা গেলে সাম্প্রতিক চুরির ঘটনা ছাড়াও ২০১৭ ও ২০১৮ সালে শতাধিক কম্পিউটার চুরির রহস্য উদঘাটিত হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চুরির ঘটনায় ১০ আগস্ট গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে। এ ছাড়া ১৯ নিরাপত্তা প্রহরীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে।’
