সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত আরও ৩৪ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৩ ও নারী ১১ জন। ৩৪ জনের মধ্যে হাসপাতালে ৩৩ জন ও বাড়িতে একজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ হাজার ৭০২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ নিয়ে গত ৩ মাসে সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছে। গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাস বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি করোনা পরীক্ষাগারে ১০ হাজার ৯৮টি নমুনা সংগ্রহ হয়। পরীক্ষা হয়েছে ১০ হাজার ৭২৩টি। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২৮২ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৮১টি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে আরও ২ হাজার ২৪৭ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৩৮ হাজার ২৭১ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭০ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪০ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ৬৬১ (৭৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ) এবং নারী ১ হাজার ৪১ জন (২২ দশমিক শূন্য ১৪ শতাংশ)।
মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩৪ জনের মধ্যে শূন্য থেকে ১০ বছরের একজন, ১১ থেকে ২০ বছরের একজন, ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব পাঁচজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব সাতজন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৯ জন রয়েছে।
বিভাগ অনুযায়ী ৩৪ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রামে সাতজন, রাজশাহীতে পাঁচজন, খুলনায় চারজন এবং ময়মনসিংহে একজন রয়েছে।
