কুমিল্লার দাউদকান্দির হাসানপুর ও গৌরীপুর সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জারি করা ভর্তির প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে মফস্বল এলাকায় সেশন চার্জসহ এক হাজার টাকা এবং পৌরসভায় দেড় হাজার টাকার বেশি ভর্তি ফি নেয়া যাবে না। কিন্তু বোর্ডের নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা করছে না হাসানপুর ও গৌরীপুর সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ।
সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, হাসানপুর শহীদ নজরুল সরকারি কলেজে চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য তিন হাজার এক শ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। পৃথক দু’টি রসিদে এক হাজার এবং দুই হাজার এক শ পঞ্চাশ টাকা করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভর্তি ফরম বাবদ আরও পঞ্চাশ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে।
একই চিত্র গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি কলেজে। তবে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে ভর্তি ফি তিন হাজার টাকা করে নিচ্ছেন। ভর্তি ফরম বাবদ নেয়া হচ্ছে এক শ টাকা।
তবে এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা কথা বলতে নারাজ। কারণ হিসেবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বলেন, কলেজে ভর্তি হয়েই স্যারদের বিরুদ্ধে কথা বললে ভবিষ্যৎ খারাপ হতে পারে। তাই এ ব্যাপারে কিছু না বলাই আমাদের জন্য ভালো।
গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, কলেজের কিছু উন্নয়নসহ সাময়িক কর্মচারী খরচ চালাতে কিছু টাকা নিতে হয়। আর ভর্তির পর অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকে বিধায় পরীক্ষার ফি বাবদ কিছু টাকা ভর্তির সাথে নেয়া হচ্ছে।
হাসানপুর শহীদ নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন জামালকে একাধিকবার ফোন করা হলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম খান বলেন, এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানানো হবে।
