প্রধান চরিত্রে অভিনয় না করেও পর্দায় মনোযোগ কেড়ে নিতেন তিনি। সপ্রতিভ অভিনয় ছিল তার আয়ত্তে। সেই অভিনেতা চ্যালেঞ্জার মারা যাওয়ার দশ বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন।
এ দিনে স্বজন, ভক্ত ও অনুরাগীরা স্মরণ করছেন। তার বোন অভিনেত্রী মনিরা মিঠু ফেইসবুকে ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আজ ১২ই অক্টোবর, ভাইজান এই দিনে চলে গেছেন। হে পৃথিবীর পালনকর্তা, মহান রাব্বুল আলামিন, ভাইজানের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিন। তার উত্তম কাজের জন্য জান্নাতুল ফেরদৌসের দরজা খুলে দিন।”
চ্যালেঞ্জারের পারিবারিক নাম এ এস এম তোফাজ্জল হোসেন। ডাকনাম সাদেক। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের নাটকের সূত্রে তিনি ‘চ্যালেঞ্জার’ নামের পরিচিতি পান।
২০০০ সালে হুমায়ূন পরিচালিত ‘হাবলঙ্গের বাজার’ টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে যুক্ত হন চ্যালেঞ্জার। এ নাটকেই তার নাম বদলে দেন নির্মাতা। এর পর হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত প্রায় সব নাটকে দেখা মিলত তার। কাজ করেছেন সিনেমায়ও। তার অভিনীত সিনেমার মধ্যে শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘লাল সবুজ’, হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্যামল ছায়া’, ‘নয় নম্বর বিপদ সংকেত’ ও ‘দারুচিনি দ্বীপ’ এবং আমজাদ হোসেনের ‘কাল সকালে’ উল্লেখযোগ্য।
দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগে ৫১ বছর বয়সে চ্যালেঞ্জার রাজধারীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেকের বাসভবনে মারা যান।