আগামী বছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গতকাল রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর এ কথা জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সামনের বছর ১৭ ও ২৬ মার্চ দুটি বড় উৎসব। আমরা চাই, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসুন। আমাদের বিজয় ভারতেরও বিজয় এবং এটি একসঙ্গে উদযাপন করা উচিত। তারা এ বিষয়ে সম্মত। শুধু বাংলাদেশে হবে না, অন্য দেশের রাজধানীতেও যৌথভাবে উদযাপন করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরে দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এটি ১৭ ডিসেম্বরের দিকে হতে পারে। ভারত ১৬ ডিসেম্বর বৈঠক করতে চেয়েছিল কিন্তু ওইদিন আমরা যথেষ্ট ব্যস্ত থাকব। সে কারণে উভয়পক্ষের জন্য সুবিধাজনক একটি তারিখ ঠিক করব।’
বৈঠকে সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আলাপ করলাম সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে। যদিও আমাদের সীমান্ত বাহিনীর প্রধানরা প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, কোনো ধরনের হত্যাকাণ্ড হবে না, কিন্তু হচ্ছে।’ সীমান্ত হত্যাকাণ্ড ছোট বিষয় কিন্তু এ প্রসঙ্গটি বারবার উঠে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত স্বীকার করলেন, দুপক্ষেই ঝামেলা আছে।’
এ সময় এয়ার বাবল শিগগিরই চালু হবে জানিয়ে এ কে মোমেন বলেন, ‘এটি চালু হলে পররাষ্ট্র সচিব ভারতে যাবেন। তবে আমার বক্তব্য হলো, স্থল ও ট্রেনের মাধ্যমে মানুষের যাতায়াত চালু করা। কারণ আমাদের অধিকাংশ লোক গাড়িতে যায়।’
