ফরিদপুরের ভাঙ্গায় রাতে নতুন কেনা শটগান দিয়ে ইউএনও রকিবুর রহমান খান টেস্টিং ফায়ারিং করেছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।
এ ব্যাপারে পুলিশ ভাঙ্গা থানায় জিডি করেছে। রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুলি ছোড়ার এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুর রহমান খান।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, দুই দিন আগে তিনি ঢাকার একটি অস্ত্রের দোকান থেকে শটগানটি কিনেছিলেন। কিন্তু ওই দোকানে টেস্টিং ফায়ারের জায়গা না থাকায় কেনার সময় টেস্টিং করা হয়নি। এ জন্য তিনি নিজে রবিবার রাত সারে ১০টার দিকে তার সরকারি ভবনের পুকুরে চারটি টেস্টিং ফায়ার করেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, রবিবার রাত সারে ১০টার দিকে ইউএনওর সরকারি বাসভবন এলাকা থেকে পর পর চারটি গুলির শব্দ শোনা যায়। এ শব্দে এলাকাবাসীর মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, সাথে সাথে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শওকত হোসেনকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
এসআই শওকত হোসেন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউএনও সাথে দেখা ও কথা বলতে পারেননি। তবে তার সাথে ইউএনর বাড়ির নিরাপত্তায় নিয়োজিত অস্ত্রধারী আনসার সদস্য মো. আমিনুর রহমানের কথা হয়েছে। আমিনুর রহমান তাকে জানায়, ইউএনও দুই দিন আগে নিজের কেনা শটগান থেকে বাড়ির পুকুরের পানিতে চারটি গুলি ছোড়েন টেস্টিং ফায়ারের জন্য।
এসআই শওকত হোসেন আরও বলেন, এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানায় তিনি নিজে বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রকিবুর রহমান খান জানান, আমি নতুন শটগান কিনেছি। আইন অনুযায়ী পরীক্ষার জন্য পাঁচটি পর্যন্ত গুলি ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু আমি চারটি গুলি ছুড়েছি পুকুরে। আমি আইনের বাইরে গিয়ে কিছু করিনি।
