টাইফুন গনির আঘাতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফিলিপাইনের ক্যাটানডুয়ানেস দ্বীপ। এর মধ্যে ভাইরাক শহরের ৯০ শতাংশ ঘরবাড়িই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেড ক্রস জানিয়েছে।
বিবিসি জানায়, ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার গতিতে ফিলিপাইনে রবিবার আঘাত হানে টাইফুন গনি। চলতি বছরে এত শক্তি নিয়ে কোনো ঘূর্ণিঝড় আসেনি।
টাইফুনে সৃষ্ট ভূমিধসে ক্যাটানডুয়ানেসে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে। মৃতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া মাটির নিচে আরও মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এই ঝড়ের কবলে পড়ার শঙ্কায় প্রায় ১০ লাখ মানুষকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
রাজধানী ম্যানিলায় বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানকার নিচু বস্তি এলাকা থেকেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হয়।
ভাইরাক শহরে প্রথম ধাক্কাটি লাগে টাইফুন গনির। রাজধানী ম্যানিলাকে আক্রান্ত করতে পারে এমন আশঙ্কা থাকলেও এর আগেই টাইফুনটি থেমে যায়।
ফিলিপাইনে রলি নামে পরিচিত ‘গনি’র আগে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ছিল হাইয়ান। ২০১৩ সালের ওই টাইফুনে ৬ হাজার মানুষ মারা যান।
কভিড-১৯ ভাইরাসের কারণে টাইফুন গনির মোকাবিলার প্রস্তুতি বাধাগ্রস্ত হয়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ মানুষ নতুন রোগে পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৭ হাজার ২২১ জন।
এক সপ্তাহ আগে ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড় মোলাভে আঘাত হানে। এতে ২২ জনের মৃত্যু হয়। গ্রাম ও ফসলের খেত প্লাবিত হয়। একই এলাকায় আবার ঘূর্ণিঝড় গনি আঘাত হানে।
