১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে ঘটেছিল খালেদ মোশাররফ-শাফায়াত জামিল পরিচালিত অভ্যুত্থান, জেলখানায় চার জাতীয় নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ড, বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকারী সেনা অফিসারদের দেশত্যাগ, রাষ্ট্রপতি আর সেনাপ্রধান পদে পরিবর্তন এবং পাল্টা অভ্যুত্থান। ৭ নভেম্বর কয়েক দিনের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ক্ষমতাশালী হয়ে উঠেছিলেন জিয়াউর রহমান। হত্যা করা হয়েছিল খালেদ মোশাররফ এবং আরও দুজন স্বনামধন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধিনায়ককে। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে থাকা জাসদের গোপন সংগঠন বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার অভ্যুত্থান সফলতা পায়নি। ৭ নভেম্বর সম্পর্কে আওয়ামী লীগ, বিএনপি আর জাসদের বক্তব্য আলাদা। ফলে, সেই কয়েক দিনের ঘটনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন নির্মোহ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ।
খালেদ মোশাররফ-শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বে পরিচালিত অভ্যুত্থানের কারণেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকারী মেজররা এবং খন্দকার মোশতাক ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিল। এই অভ্যুত্থান তাই গুরুত্ববহ। কিন্তু এই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন দুর্বল দিকও ছিল, যার কারণে তা ব্যর্থ হয় এবং প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ। অভ্যুত্থান পরিচালনার সময় প্রস্তুত করা হয়েছিল রকেটসজ্জিত জঙ্গি বিমান। বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকরা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভারী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু কারাগার থেকে জাতীয় চার নেতাকে মুক্ত করার বা তাদের নিরাপত্তা জোরদার করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বঙ্গভবনে অবস্থানরত খুনি মেজরদের ওপর আক্রমণ আসন্ন জানা মাত্রই ফারুক-রশিদের অনুগত একটি সেনাদল কেন্দ্রীয় কারাগারে ঢুকে চার জাতীয় নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। জানা যায়, এই দলটিকে যেন জেলখানায় ঢুকতে দেওয়া হয় সেজন্য মোশতাক টেলিফোনে জেলারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। জেলহত্যার সংবাদ খালেদ মোশাররফ এবং তার সহযোগীরা পরের দিনও জানতে পারেননি এবং সেদিন রাতে খুনি মেজরদের দেশত্যাগ করতে দেওয়া হয়।
বোঝা যায়, জাতীয় চার নেতাকে দ্রুত মুক্ত করার কোনো পরিকল্পনা খালেদ-শাফায়াত পরিচালিত অভ্যুত্থানে ছিল না বলেই জেলে তাদের কী অবস্থা তার প্রতি অভ্যুত্থানকারীদের মনোযোগ ছিল না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ আসছে জেনেই চার নেতাকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের গ্রেপ্তার করতে খালেদ আগ্রহী হননি। তাদের গ্রেপ্তার করতে গেলে তারা ট্যাংক আর কামান দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলত, এই চিন্তা করে রক্তপাত এড়ানোর জন্যই কি তাদের আটক না করে দেশত্যাগের সুযোগ দেওয়া হয়? জানা যায়, ফারুক-রশিদ চক্রের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর পদাতিক ইউনিটগুলোর অবস্থানের কথা শোনার পর ফারুক-রশিদের অনুগত ট্যাংক রেজিমেন্টের সৈনিকরা বঙ্গভবনের মাঠে তাদের ইউনিফর্ম ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল। ৩ নভেম্বর সকালে বিমানবাহিনীর জঙ্গি বিমান খালেদ মোশাররফের পক্ষে ঢাকার আকাশে উড়লে ট্যাংক দিয়ে প্রতিরোধেরও কোনো চেষ্টা করা হয়নি। বঙ্গবন্ধুর খুনিরা দ্রুতই পরাজয় মেনে নেয়। কিন্তু তারপরও খালেদ মোশাররফ তাদের গ্রেপ্তার করার কোনো নির্দেশ দেননি।
জানা যায়, রক্ষীবাহিনীর সাবেক প্রধান ব্রিগেডিয়ার নুরুজ্জামান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশত্যাগ করতে দেওয়ার প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। এমনকি, ব্রিগেডিয়ার নুরুজ্জামান কারওয়ান বাজারের কাছে খুনি মেজরদের গাড়িবহর অ্যামবুশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা করা হয়নি। সেই সময় রংপুরে ৭২ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন কর্নেল নাজমুল হুদা যাকে ৭ নভেম্বর ঢাকায় খালেদ মোশাররফের সঙ্গে হত্যা করা হয়েছিল। ৩ নভেম্বর কর্নেল হুদা রংপুর থেকে খালেদ মোশাররফকে টেলিফোন করে খুনি মেজরদের বিমান সৈয়দপুরে পাঠাতে বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি খুনি মেজরদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করবেন। কিন্তু খালেদ মোশাররফ বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার অনুমতি কর্নেল হুদাকে দেননি। এমনকি মোশতাকের প্রতিও খালেদ কঠোর আচরণ করেননি। কারাগারে চার নেতাকে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে এই খবর পাওয়ার পরও মোশতাককে গ্রেপ্তার না করে খালেদ মোশাররফ নিজেকে সেনাপ্রধান পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য মোশতাককে অনুরোধ করতে থাকেন। খালেদ মোশাররফের এমন নরম আচরণের সুযোগ নিয়ে মোশতাক যখন খালেদ এবং তার সহযোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন, তখন খালেদের পক্ষে থাকা তরুণ সেনা অফিসাররা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এরপরই কেবল মোশতাককে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়।
অভ্যুত্থান শুরু করার পর নিজেদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বেতারে কোনো ঘোষণা না দেওয়া ছিল খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের অন্যতম ত্রুটি। বেতারে কোনো ঘোষণা না আসায় দেশের ক্ষমতা কার হাতে, সেনানিবাসে কী ঘটছে, সে সম্পর্কে দেশের নাগরিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বিভিন্ন সেনানিবাসে অফিসার এবং সৈনিকরাও খালেদ মোশাররফ-শাফায়াত জামিলের লক্ষ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাননি। সেই সময় সশস্ত্র বাহিনীতে পাকিস্তানফেরত সেনা সদস্যরা সংখ্যায় মুক্তিযোদ্ধাদের চেয়ে বেশি ছিল। আর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী প্রায় সব অফিসারই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। ফলে, মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের অভ্যুত্থানে অমুক্তিযোদ্ধাদের গভীর সমর্থন থাকবে তা যেমন আশা করা যায় না, তেমনি সেনাবাহিনীতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা অফিসার এবং সৈনিক জিয়ার অনুসারী ছিলেন। জিয়াকে বন্দি করে রাখা তারা পছন্দ করেননি। অনেক সেনা সদস্যের মনে বন্দি জিয়ার প্রতি সহানুভূতি তৈরি হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর অধিনায়ক আবু তাহের সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেওয়ার পর সম্পৃক্ত হয়েছিলেন জাসদের সঙ্গে। জাসদের গণবাহিনীর প্রধান থাকা অবস্থায় তিনি সেনাবাহিনীতে গড়ে তুলেছিলেন গোপন সংগঠন ‘বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা’। তবে সেনাবাহিনীতে বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার অবস্থান শক্তিশালী ছিল না। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব দেখানো পদাতিক ব্যাটালিয়নের সৈনিকরা বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়নি। মূলত সেনাবাহিনীর সিগন্যালস, অর্ডন্যান্স, সাপ্লাই, ইএমই, মেডিকেল প্রভৃতি ইউনিটের সৈনিকরা এবং বিমানসেনারা এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। পদাতিক বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করার সামর্থ্য তাদের অবশ্যই ছিল না। সেনাবাহিনীর অফিসাররাও এই গোপন সংগঠনের সমর্থক ছিলেন না। যে ১২ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে ৭ নভেম্বর বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা অভ্যুত্থান করতে উদ্যোগী হয়, সেখানে সেনাবাহিনীতে অফিসারদের আলাদাভাবে নিয়োগ বন্ধ করা, অফিসার ও জওয়ানদের একই রেশন ও একই রকম থাকার ব্যবস্থা করার দাবি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকা সেনাবাহিনীর পুরনো কাঠামো ভেঙে এ ধরনের দাবি অনুযায়ী নতুন কাঠামো তৈরি করা যে অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ তা বলা বাহুল্য। এ ছাড়া যেসব সামরিক অফিসার ও জওয়ানদের বিদেশে পাঠানো হয়েছে, তাদের দেশে ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে হবে এবং পাকিস্তানফেরত সামরিক বাহিনীর লোকদের ১৮ মাসের বেতন দিতে হবে এমন দাবিও সেই ১২ দফায় ছিল। বোঝা যায়, পাকিস্তান-প্রত্যাগত সেনা সদস্যদের সমর্থন আদায়ের জন্যই তাদের বেতন দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু যে অফিসারদের বিদেশে পাঠানো হয়েছে তাদের দেশে ফেরত আনার দাবি যুক্ত করা হয়েছিল কেন? এমন একটি দাবি তো সদ্য বিদেশে পাঠানো বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে যুক্ত অফিসারদেরই সুবিধা সৃষ্টি করে। খালেদ মোশাররফ এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভ্যুত্থান শুরু করার সময় ফারুক-রশিদের অনুসারীদের এই অভ্যুত্থানে যুক্ত করা যাবে না বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার জন্য এমন কোনো নির্দেশ ছিল না। ৭ নভেম্বর দেখা যায় মোশতাক এবং ফারুক-রশিদপন্থি ট্যাংক রেজিমেন্টের সৈনিকরা আবার ট্যাংক নিয়ে শহরে বের হয়ে গিয়েছে। আবু তাহেরের প্রতি এই সৈনিকদের কোনো আনুগত্য ছিল না। খালেদ মোশাররফের করা অভ্যুত্থানের পর যে ক্ষমতা তারা হারিয়েছিল বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা সূচিত পাল্টা-অভ্যুত্থানের সুযোগ নিয়ে সেই হারানো ক্ষমতা ৭ নভেম্বর ফিরে পেয়েছিল ফারুক-রশিদপন্থি সৈনিকরা।
বেতারে ভাষণ দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে না জানিয়ে কেবল কয়েকজন অফিসার নিয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে খালেদ মোশাররফের সঙ্গে বেশির ভাগ সেনা সদস্যের যে বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়েছিল, তাই ৭ নভেম্বর বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার জন্য খালেদবিরোধী অভ্যুত্থান করার সুযোগ তৈরি করেছিল। বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার বিলি করা লিফলেট অনেক সেনা সদস্য পড়লেও সেনাবাহিনীর পরিবর্তিত কাঠামো প্রকৃত অর্থে কীভাবে অর্জন করা যাবে, সেই ব্যাপারে তাদের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ফলে, ৭ নভেম্বর কিছু সৈনিক উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, কেউ কেউ অফিসারদের অসম্মান করতে থাকে। কিন্তু এই সৈনিকদের সামাল দিতে অফিসারদের বেশি সময় লাগেনি। ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করার পর জিয়ার ঘনিষ্ঠ অফিসারদের নেতৃত্বে বেঙ্গল রেজিমেন্টসমূহ জিয়াকেই সমর্থন দেয়। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আবু তাহেরের পক্ষে বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার কিছু সদস্য নিয়ে পুরো সেনাবাহিনীতে প্রভাব বিস্তার করার সুযোগ ছিল না। নভেম্বর মাসেই যখন আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়, তখন এই সিদ্ধান্ত প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তাহেরের অনুসারী অল্পসংখ্যক সেনা সদস্যের ছিল না।
খালেদ মোশাররফ তার অভ্যুত্থানে কাউকেই হত্যা করেননি। কিন্তু ৭ নভেম্বর খালেদ মোশাররফকে এবং তার সঙ্গে থাকা মুক্তিযুদ্ধের অপর দুই খ্যাতনামা অধিনায়ক কর্নেল নাজমুল হুদা এবং লে. কর্নেল এটিএম হায়দারকে ঠা-া মাথায় হত্যা করা হয়। খালেদ মোশাররফ যখন খবর পেয়েছিলেন যে সেনানিবাসে পাল্টা অভ্যুত্থান শুরু হয়েছে এবং তার পক্ষে সৈনিকদের থাকার সম্ভাবনা নেই, তখন একপর্যায়ে তিনি রংপুর ব্রিগেড থেকে তার সমর্থনে ঢাকায় আসা ১০ বেঙ্গল রেজিমেন্টে আসেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় খালেদ মোশাররফের অধীনেই ১০ বেঙ্গল তৈরি হয়েছিল। ফলে এই রেজিমেন্টে তিনি নিরাপদে থাকবেন, এমন আশাই হয়তো খালেদ করেছিলেন। কিন্তু এখানেই তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়। এই রেজিমেন্টের কয়েকজন অফিসার এবং কিছু উচ্ছৃঙ্খল সৈনিক এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত ছিল তা শোনা যায়। এই তিনজন গুরুত্বপূর্ণ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করার নির্দেশ কে বা কারা দিয়েছিল তা এখনো জানা যায়নি। এই হত্যাকা-সমূহ নিয়ে তদন্তেরও কোনো উদ্যোগ নেই। প্রত্যক্ষদর্শী জীবিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এই বিষয়ে সত্য উদ্ঘাটন করা জরুরি। দুঃখজনক যে, উনিশশ পঁচাত্তরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের সেই ঘটনাসমূহে মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তারাই একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে ছিলেন। তাদের যথেষ্ট মনোযোগ আর সচেতনতার অভাবে প্রাণ হারান চার জাতীয় নেতা। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব আর মানসিক দূরত্বের ফলে দুর্বল হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। আর স্বাধীন বাংলাদেশে ধীরে ধীরে ক্ষমতাশালী হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর অনুসারীরা। উনিশশ পঁচাত্তরের নভেম্বরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যা করার ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে বিপর্যয় এসেছিল, তার ক্ষতিকর প্রভাবে সমাজ পীড়িত হচ্ছে এখনো।
লেখক অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
naadir. junaid@gmail. com
