একদিনে চারবার করোনা পরীক্ষা করাতে গিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ফল পেয়েছেন টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তার দাবি, দুইবার পজেটিভ এবং দুইবার নেগেটিভ এসেছে!
মাস্ক টুইটারে লিখেছেন, ‘দুই টেস্টের ফল এসেছে নেগেটিভ। দুটি পজেটিভ। একই মেশিন, একই টেস্ট, একই নার্স। বিডির র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট।’
করোনাভাইরাস নিয়ে সেই শুরু থেকে নেতিবাচক মন্তব্য করে আসা মাস্কের এই দাবি অনেকেই বিশ্বাস করছেন না। নেটিজেনদের কেউ কেউ বলছেন, করোনা টেস্ট নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন মাস্ক।
মাস্কের অবশ্য তাতে নজর নেই। কোনো নেতিবাচক মন্তব্যেই তিনি রিপ্লাই দেননি।
করোনার অ্যান্টিজেন টেস্ট নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু না। এই ধরনের টেস্টকে বিশেষজ্ঞরা ত্রুটিপূর্ণ বলে থাকেন। পিসিআর টেস্টকে এখন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক ধরা হয়।
মাস্ক জানিয়েছেন, লক্ষণ থাকায় পিসিআর টেস্ট তিনি করাতে দিয়েছেন।
তার টুইটে যে কোম্পানির কথা বলা হয়েছে, সেটি বেকটন ডিকিনসন অ্যান্ড কোম্পানির বিডিএক্স.এন র্যাপিড টেস্ট বলে ধারণা করছে রয়টার্স।
কভিড-১৯ অ্যান্টিজেন টেস্টের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেকটন ডিকিনসনের মেশিনটিতে আগেই সমস্যা ধরা পড়ে। সেই সেপ্টেম্বরে অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছিল তারা।
চলতি মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনও কভিড-১৯ অ্যান্টিজেন টেস্ট ভুয়া পজিটিভ ফল দিতে পারে বলে বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির কর্মী ও স্বাস্থ্যসেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করে।
