বিশ্বকাপ সতীর্থদের কাছে ম্যারাডোনা

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৮ এএম

ডিয়েগো ম্যারাডোনা ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জিতেছেন, ফাইনাল খেলেছেন ১৯৯০-তেও। তার সঙ্গে ওই সময় বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ভার্চুয়ালি একত্রিত হয়েছিলেন ইএসপিএনের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে তারা কথা বলেন ম্যারাডোনার নানা বিষয়ে। তার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

ডিফেন্ডার অস্কার রুগেরি বলেন, ‘সে রুমে এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলত সামনের ম্যাচগুলো নিয়ে। সে সব কিছু নিয়ে চিন্তা করত। সে খুব উদার মনের ছিল। সে টাকা নিয়ে চিন্তা করত না।’ ম্যারাডোনার ১৯৮৬ ও ’৯০ বিশ্বকাপ সঙ্গে ডিফেন্ডার হুলিও ওলার্তিকোহেয়া বলেন, ‘আমি বাইক চালাতে বেরিয়েছিলাম। মেয়ে ফোন করে ম্যারাডোনার মৃত্যুর খবরটা দিল। এরপর আমি একটি মাঠে হাঁটা শুরু করি। আমার চোখে অশ্রু। হাসিও ছিল (স্মৃতি মনে করে)। ম্যারাডোনার সঙ্গে কাটানো সময়গুলো ভাবতে ভাবতে দুই ঘণ্টা হেঁটেছি। ১৯৭৭ সাল থেকে আমি তাকে চিনি। তখন আমরা একসঙ্গে যুব ক্যাম্পে ছিলাম।’ ১৯৮৬ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার করা দ্বিতীয় গোলটি ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ খেতাব পায়। আর্জেন্টিনার অর্ধে ম্যারাডোনাকে পাস দিয়েছিলেন মিডফিল্ডার হেক্টর এনরিক। তিনি বলেন, ‘ডিয়েগো সবসময় আমাদের সাহায্য করতেন। তিনি আমাকে কাজ দিয়েছিলেন। ডিয়েগো আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন। ড্রেসিং রুম (পরিবেশ) কেমন হওয়া উচিত তা শিখিয়েছিলেন। আমি জানি তিনি সব সময় আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।’ ম্যারাডোনার মৃত্যুর খবর শুনে কী প্রতিক্রিয়া হয়েছিল তা জানিয়েছেন গোলরক্ষক নেরি পাম্পিদো, ‘বুয়েনস আয়ার্সে আসতে আমার দেরি হয়ে গিয়েছিল। আমি ড্রয়ারের কাছে দাঁড়িয়ে সেখানে বিশ্বকাপ। কাপটি নিয়ে আমি ড্রয়ারের একেবারে ওপরে রাখলাম। জড়িয়ে ধরলাম। এই কাপটা ডিয়েগো সবসময়ই চাইত। আমি কাপটা জড়িয়ে ধরলাম। মনে হচ্ছিল ভেতরে নিয়ে যাই। ও আমাকে এটা বিশ্বকাপে দিয়েছিল। আমি তাকে এটা ফিরিয়ে দিতে পেরেছিলাম।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত