১. সাপ্তাহিক, মাসিক, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষায় অনেকে চাপ বোধ করে। কিন্তু, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি থাকলে পরীক্ষা-ভীতি কেটে যায় এবং ভালোভাবে পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়।
২. পরীক্ষার হলে বসে প্রথমেই প্রশ্নগুলো মনোযোগ দিয়ে এবং ভালোভাবে পড়ে ফেলতে হবে। সাধারণত যেকোনো পরীক্ষায় প্রশ্নগুলো পড়ার জন্য নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট বরাদ্দ থাকে। ফলে উত্তর দিতে শুরু না করে, প্রথমে প্রশ্নগুলো পড়ে, কোনটির প্রস্তুতি ভাল, কোন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া প্রয়োজন সেগুলো ঠিক করে নিলে পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব হয়।
৩. প্রশ্নগুলো পড়ার সময় কীভাবে সেগুলোর উত্তর করতে চাওয়া হয়েছে জেনে নিতে হবে। সেভাবে পরীক্ষার খাতায় লিখতে হবে।
৪. এরপর কীভাবে উত্তর দেবে সেই মানসিক প্রস্তুতি ও কৌশলগুলো ঠিক করে নাও। যে প্রশ্নের যেভাবে উত্তর দেবে, সেটি প্রশ্নের পাশে লিখে রাখো। তাহলে আর প্রশ্নের উত্তরের প্রস্তুতি অন্য সময় আলাদাভাবে নিতে হবে না।
৫. উত্তর লেখার সময় প্রশ্নের ধরন, আলাদাভাবে প্রশ্নের কোন অংশের জন্য কত নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে, কীভাবে উত্তর চাওয়া হয়েছে তা বুঝে লিখে যেতে হবে। তাহলে সঠিক উত্তরে বেশি নম্বর পাওয়া সম্ভব হবে। এই ক্ষুদ্র বিবেচনাবোধগুলো প্রতিটি উত্তরপত্রের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়।
৬. পরীক্ষার হলে সময়ের হিসাব খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিজের মনের জোর এবং ভালো উত্তর লেখার জন্য সবার আগে সহজতম, এরপর সহজ এভাবে এগিয়ে যেতে হবে।
৭. তুমি কী জানো, সেভাবে নয় বরং প্রশ্নের কীভাবে উত্তর চাওয়া হয়েছে; সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে। গুছিয়ে উত্তর লিখতে হবে। জটিলভাবে নয়।
৮. উত্তরগুলোকে উপস্থাপন করতে হবে আকর্ষণীয় উপায়ে। সেগুলোকে নানা পয়েন্ট, বুলেটস, নম্বর ধরে লিখলে উত্তর হিসেবে আরও কার্যকর হয়।
৯. কেবল প্যারা ধরে লিখলে সবগুলো উত্তরে ভালো মার্কস পাওয়া যায় না। উত্তর সাবলীল ও পরিষ্কারভাবে পরীক্ষকের কাছে তুলে ধরতে হয়।
১০. কোনো রচনা লেখার সময় শব্দসীমার বাইরে যাওয়া উচিত নয়। তাহলে পরীক্ষকের বিরক্তি চলে আসে। তিনি কম নম্বর দিতে পারেন।
১১. নিজের সময়কে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়াই হলো সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি।
১২. বোর্ড পরীক্ষায় রচনা, সৃজনশীল ও এমসিকিউ থাকে। সেগুলোর জন্য এবং অন্য সব পরীক্ষাতেই কোন উত্তরের জন্য কত নম্বর বরাদ্দ রাখবেন, সেটি বিবেচনা করে লিখতে হবে। কম নম্বরের জন্য বেশি সময় ধরে লেখা যাবে না। তাতে সময় ও মেধার অপচয় ঘটে।
