চা-কফিতে চুমুক দেওয়ার সময় অসাবধানে জিহ্বা পুড়ে যেতে পারে। সহজ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে এ সমস্যা দূর করতে পারেন-
ঠাণ্ডা পানি : জিহ্বা পুড়ে গেলে এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি পান করুন। এটি জিহ্বার তাপমাত্রাকে কমাবে এবং মুখকে হাইড্রেট রাখবে। জ্বালা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত গরম কোনো খাবার খাওয়া উচিত নয়।
লবণ পানি : এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে অল্প লবণ দিয়ে ভালো করে কুলকুচি করে নিন। লবণ অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। জিহ্বা বেশি পুড়ে গেলে ব্যথা হতে পারে বা ফুলে যায়। লবণ পানি এই ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরা : চা বা কফি পান, গরম খাবারে জিহ্বা পুড়ে গেলে খাঁটি অ্যালোভেরা জেল লাগান, ব্যথা কমে যাবে।
চিনি : সামান্য ব্যথা উপশমে কাজ দেয় চিনি। তাই জিহ্বার যে জায়গাটা পুড়ে গেছে সেখানে চিনি দিয়ে রাখুন। চিনি ধীরে ধীরে গলতে শুরু করলে ব্যথাও কমতে থাকবে। এটি মুখের স্বাদও বাড়িয়ে তুলবে।
হলুদ : হলুদে থাকে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান, যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। জিহ্বা বেশি পুড়ে গেলে হলুদ মেশানো দুধ খান। জ্বালা কমে যাবে। গুঁড়ো হলুদের সঙ্গে একটু মধু ও ২ চামচ দুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে পোড়া জায়গায় লাগালেও কাজ হবে।
তুলসী পাতা : সপ্তাহখানেক নিয়মিত ৫/৬টি তুলসী পাতা নিয়ে ভালো করে ধুয়ে চিবিয়ে নিলে জিহ্বার পোড়া ভালো হয়ে যাবে।
লবঙ্গ তেল : হালকা গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে ভালো করে কুলকুচি করলে জিহ্বার পোড়া অংশের জ্বলুনি কমবে।
দই : অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় টক দই জ্বালা, ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। তাই চা-কফি খেতে গিয়ে জিহ্বা পুড়ে গেলে ঠাণ্ডা দই খেতে পারেন।
