শালিকাকে ধর্ষণের পর যৌনপল্লিতে বিক্রির চেষ্টা

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২১, ০২:৩৫ পিএম

রাজবাড়ীর কালুখালীতে চাচাতো দুলাভাই মাসুদ ফকিরের (২৭) বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বিক্রি চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকালে গোয়ালন্দ ঘাট থানা-পুলিশ সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মাসুদ ফকিরকে আটক ও ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে। আটক মাসুদ কালুখালী উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার আব্দুল জলিল ফকিরের ছেলে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী কালুখালীর সানি নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৭ জানুয়ারি রাতে স্কুলছাত্রীর চাচাতো দুলাভাই মাসুদ ফকির তার বাড়িতে গিয়ে সানির সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবার কথা বলে কালুখালী রেলওয়ে স্টেশনের পাশের একটি বাড়ির রুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরদিন শুক্রবার সকালে ওই চাচাতো দুলাভাই বলেন সানি গোয়ালন্দ ঘাট (দৌলতদিয়া) রেলওয়ে স্টেশনে আছে। পরবর্তীতে মাহেন্দ্রযোগে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর এক নম্বর গেটের সামনে নিয়ে আসলে অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তি এসে মাসুদ ফকিরের সঙ্গে কথা বলে।

এ সময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মাসুদ ফকিরকে কিছু টাকা দেয়। পরবর্তীতে সে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে যৌনপল্লীর ভেতর রওনা হয়। কিছু দুর যাবার পর পল্লীর মেয়েদের দেখে স্কুলছাত্রীর সন্দেহ হয় এবং তখন সে ভেতরে যেতে আপত্তি করে। সে সময় জোরপূর্বক ভেতরে নেবার চেষ্টা করলে স্কুলছাত্রী চিৎকার করে। তখন স্থানীয়রা ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও মাসুদ ফকিরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কালুখালীর এক স্কুলছাত্রীকে কৌশলে তার চাচাতো দুলাভাই বাড়ি থেকে নিয়ে এসে ধর্ষণ করে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে বিক্রির চেষ্টা করে। সে সময় স্থানীয় জনগণ ওই ব্যক্তিকে আটক ও স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশে দেন।

পরবর্তীতে এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। ঘটনার কারণ উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত