করোনার সময়ে সর্বপ্রথম সিরিজ আয়োজন করার সাহস দেখায় ইংল্যান্ড। সফল গ্রীষ্ম কাটিয়ে নিজেদের ‘হোম সামার’-এর ক্ষতি হতে দেয়নি ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড। এরপর বিদেশ সফরে শ্রীলঙ্কা সফর শেষ করল। ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ টেস্টের সিরিজ ভারতে। সেটা শেষ করে দেশে ফিরে ব্যস্ত এক মৌসুম কাটাবে তারা। জুনে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দুই টেস্টের সিরিজ দিয়ে শুরু হবে। পরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টি। জুলাইতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে ৫ টেস্টের সিরিজ দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়শিপের পরবর্তী চক্র শুরু করবে ইংল্যান্ড। তবে এ বছর ঘরোয়া মৌসুমে ইংলিশ বোর্ডের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত গ্যালারিতে দর্শক উপস্থিতি স্বাভাবিক করা।
জুনেই বর্তমান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল হওয়ার কথা লর্ডসেই। সেই ম্যাচের জন্যও ফাঁকা রাখতে হবে জুনে। সেই ফাইনালে ইংল্যান্ডও থাকতে পারে। দুই ফাইনালিস্ট নিশ্চিত হওয়ার পরই দিন-তারিখ ঠিক করা হতে পারে। ২০১৯-এর ১৪ জুলাই নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। সেই লর্ডসেই ২ থেকে ৬ জুন দুদল টেস্টে মুখোমুখি হবে। তাদের দ্বিতীয় টেস্ট ১০-১৪ জুন, এজবাস্টনে। এরপর শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের সঙ্গে সাদা পোশাকের ক্রিকেট ইংল্যান্ডের। জুন ২৩, ২৪ ও ২৬ তারিখ লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ। আর পাকিস্তানের সঙ্গে ৮ , ১০ ও ১৩ জুলাই হবে তিন ওয়ানডে আর ১৬, ১৮ ও ২০ জুলাই হবে তিন টি-টোয়েন্টি। এ বছর ইংলিশ গ্রীষ্মের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ভারতের বিপক্ষে ৫ টেস্টের সিরিজ। ৪ আগস্ট থেকে নটিংহ্যামে সিরিজ শুরু হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট শুরু হবে যথাক্রমে ১২ আগস্ট লর্ডস ও ২৫ আগস্ট লিডসে। ২ সেপ্টেম্বর ওভালে ও ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ম্যানচেস্টারে হবে চতুর্থ ও পঞ্চম টেস্ট।
